৯:৪১ পিএম, ৫ জুলাই ২০২২, মঙ্গলবার | | ৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩




ছাতকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত অর্ধশতাধিক

৩০ নভেম্বর -০০০১, ১২:০০ এএম | মোহাম্মদ হেলাল


 

চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ) : ছাতকে সরকারি খাল দখল নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন।  এদের মধ্যে ১১জনকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।  শনিবার সকাল ৮টায় কালারুকা ইউপির রায়সন্তোষপুর সংলগ্ন ঝাওয়া ব্রিজে এঘটনা ঘটে। 

 জানা যায়, রায়সন্তেুাষপুর গ্রামের সাবেক ম্বোর আব্দুল করিম ঝাওয়া ব্রিজ এলাকায় বোর জমিতে পানি সেচের বিষয় নিয়ে একই গ্রামের ছালিক মিয়াকে শারীরিক নির্যাতন করেন।  এছাড়াও রায়সন্তোষপুর গ্রামবাসির কাছ থেকে সরকারি খাল লিজ নিয়ে জবর-দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত হন।  এরজের ধরে গ্রামবাসি আব্দুল করিমকে ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের ঝাওয়া ব্রিজের নীচে সড়ক ও জনপথ বিভাগের খালে মাছ ধরতে নিষেধ করেন।  কিন্তু তাদের বাঁধা-নিষেধ অমান্য করে মাছ ধরতে গেলে আব্দুল করিম ও তার গোষ্টির লোকজনের উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চড়াও হন গ্রামবাসী।  এসময় পুলিশের উপস্থিতিতে ব্রিজের মধ্যেই দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।  এতে ৪জন পুলিশসহ কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন।  এদের মধ্যে ১১জনকে সিলেট ও অন্যান্য আহতদের ছাতক ও কৈতক হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।  আহতরা হচ্ছে গৌছ আলী (৪৫), আব্দুল করিম (৫৫), রজব আলী (৬৫), সাদিকুর রহমান (২৫), আকল মিয়া মেম্বার (৩৫), তারিক মিয়া (৩০), আব্দুল মতিন (৩৫), লিটন মিয়া (৩০), একজামিন আহমদ (২৫), বকুল মিয়া (৩৫), হরমুজ আলী (৪০), মছব্বির আলী (৪৫), সোয়েব আহমদ (১৬), নিলু মিয়া (২০), সামছুদ্দিন (২৭), এহসান (২৫), কাওসার আহমদ (৩০), আব্দুল কাদির(৪৫)।  প্রায় দেড় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্শের একপর্যায়ে আব্দুল করিম ঝাওয়া রেল ব্রিজের পশ্চিমের বাড়িতে গিয়ে দরজা বন্ধ করে আত্মগোপন করেন।  তার গোষ্টির লোকজন মোহনপুর, হাসনাবাদ, নৌকাকান্দি, হাসনাবাদবাজার, খাইরগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে আত্মরক্ষা করেন। 

গ্রামবাসির দাবি হচ্ছে ঝাওয়া ব্রীজের নীচের সরকারি খালটি হচ্ছে পঞ্চায়েতের একটি আয়ের উৎস।  কিন্তু গ্রামবাসীর কাছ থেকে খাল লিজ এনে কয়েক বছর থেকে এর বিনিময় না দিয়ে অবৈধভাবে জবর-দখলের অপচেষ্টা চালান।  এঅভিযোগে অবশেষে ঘটনার গ্রামবাসী মাছ ধরতে গেলে দু’পক্ষে সংঘর্ষ বাঁধে।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ছাতক থানার এসআই তরিকুল ইসলাম, কনষ্টেবল জুনেদ আহমদ, কনষ্টেবল সজলসহ ৪পুলিশ আহত হন।  এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।  ছাতক থানার ওসি আশেক সুজা মামুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। 

সম্পাদনায় - নিশি / এসএনএন২৪.কম

 


keya