৫:১০ পিএম, ২৩ মে ২০১৮, বুধবার | | ৮ রমজান ১৪৩৯

South Asian College

শেরপুরের চরাঞ্চল জুড়ে ধান কাটার ধুম, শ্রমিকের মজুরিতে হতাশ কৃষক

০৯ মে ২০১৮, ০৯:০৩ এএম | মুন্না


নাঈম ইসলাম, শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুর জেলার বিভিন্ন চরে শুরু হয়েছে বোরো ধান কাটা-মাড়াইয়ের মহোৎসব।  স্বপ্নের সোনালী ধান কৃষক-কৃষানীর হাতের মুঠোয়।  কাটফাটা রোদে কেউ কাটছে ধান আবার কেউ মাড়াই কেউবা ব্যস্ত সিদ্ধ বা শুকাতে।  শ্বাস ফেলার সময় নেই যেন কারর।  কিন্তু শ্রমিকের বাড়তি মজুরি নিয়ে হতাশ কৃষক। 

সদর উপজেলার চর শেরপুর, বাগের চর, কামারের চর, ডুবার চর এবং শ্রীবরদী উপজেলার কেকের চর,ঝিনিয়া ,কাজির চর, ঝগড়ার চর ঘুরে দেখা যায়, এখন শ্রমিকের মজুরি সাড়ে ছয়শ থেকে সাতশ টাকা, সাথে দু বেলা খাওয়া।  চর এলাকা গুলোতে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের তদারকির জন্য খড়ের অস্বায়ী ঘর এবং ধান শুকানোর জন্য খলা তৈরী করেছেন আর সেখানেই রাতদিন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-কৃষাণীরা। 

চরশেরপুরে চিলমারী থেকে ২০ জন শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে এসেছেন সর্দার সেকান্দর আলি।  তিনি জানান, গত সপ্তাহ থেকে ধান কাটছেন ।  আরো সপ্তাহ খানেক থাকবেন।  এবার ঝড় বৃষ্টি কম হওয়ায় নিশ্চিন্তে কাজ করতে পেরে তারা আনন্দিত ।  মজুরিতেও বেশ খুশি। 

শ্রীবরদী উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের বোরো চাষি নূরে জানান, গত বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এ বছর আগাম জাতের ব্রি২৮ দুই একর জমিতে চাষ করি ।  ধান কাটা প্রায় শেষ ।  বছরের অন্য সময়ের চেয়ে দিগুনের থেকেও বেশি টাকা দিতে হচ্ছে কৃষি শ্রমিকদের ।  শ্রমিকের বাড়তি মজুরির জন্য মাড়াইয়ের কাজ এখনো করা হয়নি। 

চরশেরপুর ইউপি সদস্য নাঈম ইসলাম মনি শ্রমিক সংকট ও বাড়তি মজুরির কথা উল্লেখ্য করে বলেন, অন্য বছর বিভিন্ন জেলা হতে শ্রমিক আসত।  এবার তাদের পরিমাণ কিছুটা কম, তাই শ্রমিকের মজুরি দিগুন । তবে কয়েক দিনের মধ্যে ব্রি২৮ কাটা শেষ হয়ে যাবে।  তখন মজুরি কিছুটা কমে আসবে। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ বছর জেলায় ৯১,৬৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অনুকূল পরিবেশ থাকায় অর্জিত হয়েছে ৯২,৬১০ হেক্টর জমিতে বোরোধান।  যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। 

Abu-Dhabi


21-February

keya