১২:০২ পিএম, ২১ আগস্ট ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


ভোলায় এসিড নিক্ষেপকারীর গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

১৭ মে ২০১৮, ০৫:৫৩ পিএম | সাদি


গোপাল চন্দ্র দে, ভোলা প্রতিনিধি : ভোলায় ঘুমন্ত দুই সহোদর বোনের উপর এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

১৭ মে (বৃহষ্পতিবার) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ভোলা বন্ধুসভার আয়োজনে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।  মানববন্ধনে বক্তারা ভোলার আইনশৃঙ্খলার অবনতির কথা জানিয়ে ভোলা সরদ থানার ওসির প্রত্যাহার দাবি করেন। 

এ সময় বক্তব্য রাখেন ভোলা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ও ভোলা সচেতন নাগরিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক এসএম বাহাউদ্দিন, ভোলা স্বার্থরক্ষা কমিটির সদস্য সচিব অমিতাব রায় অপু, মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মো.আফজাল হোসেন, বেসরকারি এনজিও সংস্থ্যা কোস্টা ট্রাস্টের সমন্বয়কারী মো.জহিরুল ইসলাম, বন্ধুসভার সভাপতি মো.মামুনুর রশিদ প্রমূখ। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কয়েকদিনের ব্যবধানে ভোলায় চাঞ্চল্যকর কয়েকটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।  যার মাধ্যমে এটিই প্রমান হয় যে, ভোলার আইনশৃঙ্খলার দিন দিন অবননি হচ্ছে।  প্রথমে ভোলার দৌলতখানে জমি নিয়ে ছেলের হাতে মা খুন, সদর উপজেলার আলী নগরে গ্রাহকের হাতে এনজিওকর্মী খুন, সদর উপজেলার বাপ্তায় জমি বিরোধের জেরে আপন বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাইসহ জোড়া খুন, সর্বশেষ ১৫ মে সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ঘুমন্ত দুই বোনের উপর দূর্বৃত্তদের এসিড নিক্ষেপ।  কিন্তু ভোলার পুলিশ প্রথম দুই খুনের ঘটনার মূল হোতোদের গ্রেপ্তার করলেও জোড়া খুন ও অ্যাসিড নিক্ষেপকারী মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। 

এ সকল ঘটনায় পুলিশ কখনও দায় এড়াতে পারে না।  এসময় বক্তারা ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মো. ছগির মিঞার প্রত্যাহার দাবি করেন। 

বক্তারা আরও বলেন, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের প্রচেষ্টায় কয়েক বছর ধরে ভোলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো ছিলো।  কিন্তু গত মাসে তাঁর ভাতিজা ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুলের অসুস্থ্যতার জন্য দীর্ঘদিন ধরে সে ভোলার বাহিরে থাকায় ভোলার আইনশৃঙ্খলা অস্বাভাবিক রূপ ধারণ করেছে বলে মনে করেন বক্তারা। 

এ সময় বক্তারা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।  সেই সাথে পর পর খুন ও এসিড নিক্ষেপকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান তারা। 

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছগির মিঞা জানান, এসিড নিক্ষেপের ঘটনায় প্রথম দিনেই দুই জনকে আটক করা হয়েছে।  তবে এর মধ্যে এক জনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।  বর্তমানে মো. ইউছুফ নামে এক জন আটক রয়েছে।