৪:২৬ এএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, শুক্রবার | | ৮ সফর ১৪৪০


মঠবাড়িয়ায় সমাজসেবা কর্মকর্তার ওপর হামলার প্রতিবাদে জেলা জুড়ে আন্দোলন

০৫ জুন ২০১৮, ০৫:৩২ পিএম | সাদি


দেলোয়ার হোসাইন, পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আখলাকুর রহমানের ওপর  স্থানীয় দুর্বৃত্তরা সশস্ত্র হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত ও নির্যাতন করার তীব্র প্রতিবাদে সোমবার থেকে আন্দোলন শুরু হয়েছে। 

সোমবার মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন হামলাকারিদের বিচার চেয়ে মানববন্ধন  করেছে।  মানববন্ধনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা দুর্বৃত্তদের বিচার দাবি করছেন।  মঙ্গলবার পিরোজপুর শহরের পড়েরহাট রোডস্থ জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করেছে বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারি, শিশু পরিবার, উপজেলা সমাজসেবা বিভাগসহ সচেতন নাগরিক সমাজ। 

পরে দুর্বৃত্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে সমাজসেবা বিভাগের উপ-পরিচালক আল মামুন তালুকদারের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। 

এর আগে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপ পরিচালক আল মামুন তালুকদার, শহীদুল ইসলাম, সালমা জাহান, প্রিয়াংকাবদা ভট্টাচার্য, জাকির হাওলাদার ও মোস্তফা ইকতিয়ার উদ্দিন।  তারা ঘটনার নিন্দা জানাতে কালো ব্যাচ ধারণ করেছেন। 

উল্লেখ্য, মঠবাড়িয়া ‘হাজী গুলশান আরা শিশু সদন’ নামের একটি ভূয়া এতিমখানায় ১০১ জন এতিম দেখিয়ে প্রতি বছরে সরকারি ১২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল বড়হারজী গ্রামের উক্ত এতিমখানার সভাপতি আব্দুল গফফার ও শিক্ষক মাওলানা মোস্তফা মাহমুদসহ সংশ্লিষ্টরা। 

ওই হামলার প্রতিবাদে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আখলাকুর রহমান বাদি হয়ে থানায় মামলা করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে।  পুলিশ এতিমখানার সভাপতি গফফার ও শিক্ষক মোস্তফাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে সোমবার জেল-হাজতে পাঠিয়েছে। 

রোববার ৩ জুন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার ওপর নিজ অফিস কক্ষে প্রভাবশালীরা ওই ন্যাক্ক্যারজনক হামলা চালায়।  ওই নাম সর্বস্ব এতিমখানা সম্পর্কে ৪ নম্বর দাউদখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফজলুল হক খান রাহাত বলেছেন বাগেরহাট জেলার একজন সংসদ সদস্যের কাছের লোক পরিচয় দিয়ে আব্দুল গফফার গ্রামের বাড়ি এসে অবৈধ প্রভাব খাটান।  সে ছোট বেলা থেকেই একটু অন্য প্রকৃতির লোক বলে চেয়ারম্যান জানিয়ে বলেন ১৯৯৭ সালে  এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করে ভুয়ার ওপর লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।  তিনি বলেন আমরা তার বিচার চাই। 


keya