৫:১৫ এএম, ১৯ জুন ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৫ শাওয়াল ১৪৩৯

South Asian College

শিক্ষক-কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড

১০ জুন ২০১৮, ০৪:৫৫ পিএম | মুন্না


এসএনএন২৪.কম : নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের রাজপথে অবস্থান কর্মসূচি পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে গেছে।  রবিবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি ছিল। 

২০১৮- ১৯ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা না থাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ৯টা থেকে কর্মসূচি পালনের জন্য  ‘শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন’ ব্যানারে শিক্ষক-কর্মচারী আসতে থাকেন।  সকাল সাড়ে ৯টায় পুলিশ এসে তাদের অবস্থান কর্মসূচিতে বাধা দেয়।  পুলিশ সদস্যরা এ সময় বাধা দিয়ে বলে, আপনারা এখান থেকে সরে যান।  এখানে থাকা যাবে না। 

শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, ‘২০১৮- ১৯ অর্থ বছরে প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা নেই।  আমাদের জন্য বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।  এতে আমরা হতাশ। ’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক বিনয় ভূষণ রায় বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশ থেকে এসে প্রেস ক্লাবে অবস্থান নিই।  কিন্তু পুলিশ আমাদের সেখান থেকে তুলে দেয়। ’

এমপিওভুক্তির দাবিতে নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার কর্মসূচি শুরু করেন।  নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ডাকে টানা ওই অবস্থান ও অনশনের একপর্যায়ে গত ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার তৎকালীন একান্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসান সেখানে গিয়ে আশ্বাস দেন।  এরপর শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। 

সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বলা হয়েছে, আসন্ন অর্থ বছরে নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে।  কিন্তু অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত বৃহস্পতিবার ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের যে বাজেট প্রস্তাব করেন, সেখানে তিনি নতুন এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি। 

এবারের বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের জন্য ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।  এটি প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে খাতওয়ারি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ।  বাজেট বরাদ্দে প্রাথমিক বিদ্যালয়, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।