১০:১০ পিএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রোববার | | ১২ মুহররম ১৪৪০


টেকনাফে স্থানীয়দের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার দিলেন দূর্যোগ মন্ত্রী মায়া

১২ জুন ২০১৮, ০৮:৩৯ পিএম | সাদি


সাইফুদ্দীন মোহাম্মদ মামুন, টেকনাফ প্রতিন্মিধি : টেকনাফে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের অনুপ্রবেশের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ টেকনাফ উপজেলার স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠানো ঈদ উপহার তুলে দিলেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। 

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সরকার মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।  নিশ্চয় তাদেরকে মিয়ানমারে ফেরত যেতে হবে। 

রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়দের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, সেটিও পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।  মঙ্গলবার দুপুরে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো উপহার সামগ্রী বিতরণের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের কথা চিন্তা করেছে।  কারণ, তিনি সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন।  মানুষকে ভালোবাসেন। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার একটি জনবান্ধব সরকার।  এই সরকার হতদরিদ্র মানুষের পাশে থাকার সরকার। ’ জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে পাঠানো উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সচিব মো. শাহ কামাল, বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান, এনডিসির শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ আবুল কালাম, জেলা পুলিশ সুপার ড. ইকবাল হোসেন, সাবেক সাংসদ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক মো. আলী, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল হাসান, সহকারী কমিশনার ভূমি প্রণয় চাকমা, টেকনাফ মডেল থানার ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সদস্য শফিক মিয়া, জেলা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. ইউনুছ বাঙ্গালী, হ্নীলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এইচ কে আনোয়ার। 

এ সময় অন্যান্যদের মাঝে প্যানেল চেয়ারম্যান আবুল হোসন, হৃীলা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্যা মর্জিনা আক্তার, ফরিদা বেগম, নাছরিন পারভিন উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, হ্নীলা ইউনিয়নে ২ হাজার পরিবার, বাহারছড়া ইউনিয়নে ১ হাজার পরিবার, হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ১ হাজার ৮’শ পরিবার, টেকনাফ সদর, সেন্টমার্টিন, সাবরাং ইউনিয়নসহ ১ হাজার, পৌরসভায় ২’শ পরিবারসহ পুরো উপজেলায় ৬ হাজার পরিবারকে ১ কোটি ২০লাখ নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। 

প্রতি প্যাকেটে ২ কেজি চাল, ৫০০ গ্রাম দুধ, ১ লিটার তৈল, ১ কেজি চিনি, ৪ প্যাকেট লাচ্ছা সেমাই, ১টি রুহ- আফজা, ১ টি শাড়ি লুঙ্গী রয়েছে।