১০:৩০ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১২ সফর ১৪৪০


গুরুদাসপুরে হাটের অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করেই সড়কজুড়ে ড্রেন নির্মান

১৩ জুন ২০১৮, ০৫:৩৭ পিএম | সাদি


মো. আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর প্রতিনিধি : হাটের অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করেই নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা শওকতরানা লাবুর বিরুদ্ধে সড়কজুড়ে ড্রেন নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। 

অপরিকল্পিতভাবে ওই ড্রেন নির্মানের ফলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।  এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে বুধবার ফিরোজ আলী নামে এক প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নাজিরপুর হাটের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সড়কটির প্রস্থ ছিল ১৫ থেকে ১৮ ফুট।  ওই সড়কটির পশ্চিম পাশ দিয়ে এক ফুট প্রস্থের ড্রেন ছিল। 

সোমবার থেকে পুরাতন ড্রেন ভেঙ্গে আরও দুই ফুট চওড়া করে তিন ফুট প্রস্থের ড্রেন নির্মানের কাজ শুরু করেছেন ওই আওয়ামীলীগ নেতা।  কিন্তু উভয়পাশে অবৈধ দখলের কারনে সড়কটি সংকুচিত হয়ে ৮ থেকে ১০ ফুট প্রস্থে পরিণত হয়েছে।  এতে করে সড়কটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। 

অভিযোগকারী নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আলী সহ কমপক্ষে দশজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, সড়কটির উভয়পাশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করে তিনফুট বাই তিন ফুট ড্রেন নির্মান করতে গিয়ে পাকা সড়কটি কাটা পড়ে গেছে।  সেই সাথে ওই ড্রেন সংলগ্ন বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ীদের স্থাপনাও ভেঙে পড়েছে।  এতে সড়কে মানুষ ও যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। 

রুহুল আমীন নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ওই ড্রেন নির্মানের সময় মাটি ধ্বসে তার বসতবাড়ি সহ তিনটি দোকানের স্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে।  নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে কোন অভিযোগ করছেন না।  তবে ওই অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয়রা বলেন, সড়কের জায়গা অবৈধ দখলে নিয়ে স্থাপনা নির্মান করেছেন তিনি।  এ কারনে প্রতিবাদ করছেন না। 

তবে আওয়ামীলীগ নেতা নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শওকতরানা লাবু জানান, নাজিরপুর হাটের উন্নতিকল্পে ড্রেনটি নির্মান করা হচ্ছে।  তবে এক ফুটের জায়গায় তিন ফুট চওড়া হচ্ছে ড্রেনটি।  একজন জনপ্রতিনিধি হওয়ায় ওই অবৈধ উচ্ছেদের বিষয়টি তার মাথায় আসেনি বলে জানান তিনি। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনির হোসেন লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 


keya