৭:২৭ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৯ মুহররম ১৪৪০


রাঙ্গুনিয়ায় অটোরিক্সা চালক ইকবাল হত্যা মামলার আসামীরা অধরা

১৪ জুন ২০১৮, ১১:৪৮ এএম | সাদি


আব্বাস হোসাইন আফতাব, রাঙ্গুনিয়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালক ইকবাল হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামী দেড় বছরেও গ্রেপ্তার হয়নি।  প্রধান আসামীসহ অন্য আসামীরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় চরম আতংকে আছেন মামলার বাদী ও ইকবাল হোসেনের পিতা নুর হোসেন।  মামলার বাদী ও আসামীদের বাড়ি পোমরা ইউনিয়নের রোশাই পাড়া গ্রামে। 

মামলার বাদী নুর হোসেন বলেন, “ ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই সকালে একই গ্রামের  মো. সৈয়দ তাঁর ছেলে ইকবালকে তাদের ভিটাতে চারা লাগানোর কথা বলে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে যান।  চারা লাগিয়ে দুপুরে বাড়িতে এসে ভাত খেয়ে অটোরিক্সা চালানোর কথা বলে ঘর থেকে বের হয় ইকবাল।  ওই রাতে ইকবাল বাড়িতে না আসায় সৈয়দের কাছে পরদিন খোঁজ নেন।  কিন্তু সে তার ব্যাপারে কিছুই জানেনা বলে জানান।  সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নিয়ে ৩১ জুন রাঙ্গুনিয়া থানায় নিখোঁজ ডায়রি করেন নুর হোসেন। 

তিনি পরে জানতে পারেন মামলার আসামী একই গ্রামের মো. সৈয়দ, মো. বুলেট, জাহেদুল ইসলাম, মো. মামুন ১৭ জুলাই বিকেল ৩ টার দিকে একই ইউনিয়নের সাইনি পাড়া এলাকার একটি ফার্নিচারের দোকানে মোবাইলে ইকবালকে ডেকে নিয়ে দোকানে বসান।  সেখানে আসামীরা তাকে অতিরিক্ত নেশাদ্রব্য খাইয়ে মোটরসাইকেলের মাঝখানে বসিয়ে পোমরা এলাকার গহীন বনে নিয়ে হত্যা করে শরীর থেকে হাত, পা ও মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।  পরে ২ আগষ্ট তিনি খবর পান একই ইউনিয়নের ছাদিনামার টিলা এলাকায় একটি লাশ পাওয়া গেছে ।  তিনি সেখানে ছুটে গিয়ে ইকবালের কাপড় দেখে সনাক্ত করেন।  পরে তিনি থানায় গিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে চাইলে থানা পুলিশ মামলা নিতে সময়ক্ষেপন করেন। 

পরে তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।  আদালত মামলাটি এফ.আই.আর হিসেবে থানায় নথিভুক্ত করার জন্য রাঙ্গুনিয়া থানাকে আদেশ দেন।  মামলার ৩ জন আসামী গ্রেপ্তার হয়।  দুইজন কারাগারে থাকলেও একজন সম্প্রতি জামিনে আসেন।  প্রধান আসামীসহ দুইজন পলাতক রয়েছে।  বর্তমানে মামলাটি পুলিশের চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখা তদন্ত করছেন। 

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আলমগীর মুঠোফোনে বলেন, “ মামলার কয়েকজন আসামী গ্রেপ্তার হয়।  রিমান্ডে একজনের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ন তথ্য পাওয়া গেছে।  মামলার বিষয়ে তদন্ত চলছে।  ”