৪:০১ পিএম, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার | | ১০ মুহররম ১৪৪০


কুড়িগ্রামে সরকারি কর্মকর্তা ও ইউনিসেফ প্রতিনিধিদের যৌথ কার্যক্রম পরিদর্শন

০৯ জুলাই ২০১৮, ০২:০৮ পিএম | মাসুম


হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। 

সোমবার সকালে জেলা প্রশাসন হলরুমে জেলা প্রশাসক মোছা: সুলতানা পারভীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবু মুহাম্মদ ইউসুফ,ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ সীমা সেনগুপ্ত, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান নাজিবুল্লাহ হামীম প্রমুখ। 

এসময় উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ কুড়িগ্রাম জেলায় ইউনিসেফের সহায়তায় যৌথভাবে বাস্তবায়িত স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা, শিশু সুরক্ষা, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন বিষয়ক কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করেন। 

এরপর প্রতিনিধিদল কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট এবং সদরের মোগলবাসা ইউনিয়নে স্থানীয় জনগণের জন্য ইউনিসেফ ও সরকারি সহায়তায় বাস্তবায়িত নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন কর্মসূচি এবং জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে লোকগীতি ও জনগণের সাথে স্বাস্থ্য সংলাপ কার্যক্রম পরির্দশন করেন। 

জেলা প্রশাসক দারিদ্র্য পীড়িত কুড়িগ্রাম জেলায় নদ-নদী কেন্দ্রিক পর্যটন বিকাশ, উচ্চ শিক্ষা কেন্দ্র, কৃষি ভিত্তিক রপ্তানি উন্নয়ন কেন্দ্র, তাঁত শিল্প, এবং স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। 

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে জানানো হয়, ৫টি উপজেলায় ইউনিসেফের সহায়তায় মা ও শিশুবান্ধব মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চলছে। 

এতে জেলায় সকল টিকা প্রাপ্ত শিশুর বর্তমান হার ৮১ দশমিক ৫।  এছাড়াও সদর হাসপাতালে ইউনিসেফের সহায়তায় নবজাতকের জন্য বিশেষায়িত জরুরী সেবাকেন্দ্র চালু করা হয়েছে।  তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও সহযোগী কর্মচারীর শুন্যপদ, উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরী প্রসুতি সেবার জন্য চিকিৎসকের অভাব এবং কুড়িগ্রামে দুর্গম এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার অভাব রয়েছে বলে তুলে ধরা হয়। 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবু মুহাম্মদ ইউসুফ এবং জেলা প্রশাসক মোছা: সুলতানা পারভীন স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষা, শিশু সুরক্ষাসহ উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ব্যয় বরাদ্দে ও বাস্তবায়নে আরও সমন্বয় প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। 

জেলা প্রশাসক শিশু কিশোরদের জন্য জেলা প্রশাসনে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ বর্ণনা করেন।