৫:৫১ পিএম, ২১ আগস্ট ২০১৮, মঙ্গলবার | | ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


‘সূর্য ছোঁয়ার মিশন’ নাসা খুব কাছ থেকে সূর্যকে পর্যবেক্ষণের অভিযান

২৪ জুলাই ২০১৮, ০৯:২১ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম :  আগস্ট মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা খুব কাছ থেকে সূর্যকে পর্যবেক্ষণের অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে অল্প কয়েক দিনের মধ্যে। 

আগস্ট মাসে তারা একটি অনুসন্ধানী নভোযান প্রেরণ করবে যা মানুষের তৈরি যেকোনো জিনিশের চেয়ে সূর্যের কাছে পৌঁছে গবেষণা চালাবে।  এটিকেই তারা বলছে, ‘সূর্য ছোঁয়ার মিশন’। 

একটা গাড়ির সমান মহাকাশ যানটি ৬ আগস্টের আগে উৎক্ষেপণ করা হবে না বলে জানিয়েছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থাটি। 

সূর্যের পরিমণ্ডল থেকে ক্রমাগত চৌম্বকীয় পদার্থ বিচ্ছুরিত হচ্ছে যা পুরো সৌরমণ্ডল ঘিরে রেখেছে।  মহাশূন্যের মধ্যদিয়ে চলমান আলো ও তেজস্ক্রিয়তার সাথে চৌম্বক শক্তির বলয় বিচ্ছুরিত হতে পারে।  এই চৌম্বক তরঙ্গ আমাদের বায়ুমণ্ডলকে সাময়িকভাবে বিক্ষিপ্ত করে পৃথিবীর কাছাকাছি রেডিও সিগন্যালকে বিঘ্নিত করতে পারে। 

একারণে সূর্যের আদি ইতিহাস জানতে হলে সূর্য সম্পর্কেই আরও ভালোভাবে জানতে হবে।  একারণে ‘পার্কার সোলার প্রোব’ নামের অনুসন্ধানী যানটি গুরুত্বপূর্ণ।  নভোযানটিতে সূর্যকে দূর থেকে এবং সরাসরি পর্যবেক্ষণ করার যন্ত্র রয়েছে। 

নাসা বলছে, নভোযানটির একটি বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্য হচ্ছে সোলার উইন্ড বা সূর্যের উপাদানের বহির্মুখী প্রবাহের রহস্য ভেদ করা।  এর আরেকটি কাজ হবে সূর্যকে ঘিরে থাকা গ্যাসের অতি উচ্চ তাপমাত্রার রহস্য উন্মোচন। 

এছাড়াও, পার্কার সোলার প্রোবের যন্ত্রগুলো সৌর কণার গতিবেগ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত করতে পারে।  এসব কণা সূর্য থেকে ছড়িয়ে পড়ার সময় আলোর গতির অর্ধেকেরও বেশি গতিবেগ লাভ করতে পারে।  এই কণাগুলো স্যাটেলাইট ইলেকট্রনিক্স, বিশেষ করে পৃথিবীর চৌম্বক বলয়ের বাইরে থাকা স্যাটেলাইটে গোলযোগ ঘটাতে পারে। 

তবে নাসার মতে নভোযানটির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হচ্ছে এর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির তাপ নিরোধক আবরণ। 

‘থার্মাল প্রোটেকশন সিস্টেম বা তাপ নিরোধক আবরণের’ কারণে অনুসন্ধানী যানটি প্রায় সাধারণ তাপমাত্রার মতো কাজ চালিয়ে যেতে পারবে বলে জানান পার্কার সোলার প্রোব ম্যানেজার অ্যান্ডি ড্রিজমান।