১:০৯ এএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার | | ৬ সফর ১৪৪০


নলছিটিতে স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ

২৯ জুলাই ২০১৮, ০৪:৩০ পিএম | জাহিদ


মো.রাজু খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রেমহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

শনিবার বিকেলে ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এমএম মাহমুদ হাসানের কার্যালয়ে ধর্ষিতাকে সাথে নিয়ে অভিযোগ করেন বাবা মোহাম্মদ ফকির। 

অভিযোগে জানা গেছে, নলছিটি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের ফকির বাড়ির মোহাম্মদ ফকির কৃষি কাজ করে জীবীকা নির্বাহ করেন।  তার কন্যা ও প্রেমহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে একই বাড়ির টিএন্ডটি অফিসে কর্মরত শহিদুল ইসলামের ঘরে বিভিন্ন কাজে বছর খানেক পূর্ব থেকে ডাকা হতো।  অভাবী সংসারের কারণে স্কুল ছাত্রীও তাদের কাজ করে দিতো। 

ইতিমধ্যে লোলুপ দৃস্টি পড়ে শহিদুল ইসলামের বখাটে পুত্র সাইফুল (২৪) এর।  সাইফুল তার সাথে প্রাথমিকভাবে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।  পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারিরীক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।  মাস খানেক পূর্বে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে সাইফুল কৌশলে তাকে পটিয়ে ঔষধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটায়।  এরপর থেকে স্কুল ছাত্রী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে অস্বীকৃতি জানায়।  দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় বিভিন্ন লোক দিয়ে হুমকি অব্যাহত রাখে।  নিরাপত্তা হীনতার কারণে নিজ বসতভিটা ছেড়ে শহরের কৃষ্ণকাঠির এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেয়। 

ধর্ষিতা ওই স্কুল ছাত্রী জানান, সে আমার জীবনের সর্বনাশ করেছে।  এলাকাবাসীর মুখে মুখে ঘটনাটি ছড়িয়ে গেছে।  আমি তাকে বিয়ের কথা বললে সে রাজি না হয়ে আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়।  এখন আমাকে তার বিয়ে করতে হবে নয়তো আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন পথ থাকবে না। 

ভিকটিমের পিতা মোহাম্মদ ফকির জানান, আমার মেয়ের জীবনটাকে শেষ করে এখন আমাদের বাড়ি ছাড়া করেছে। 

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এমএম মাহমুদ হাসান স্যারের কাছে অভিযোগ দিয়েছি এবং আমাদের সব কথা বলেছি।  তিনি আমাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। 


keya