১০:৫৪ এএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার | | ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




বঙ্গবন্ধু বিশ্বের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তির দূত চ.বি. উপাচার্য

১৪ আগস্ট ২০১৮, ০৩:৫৭ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বিশ্বের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তির দূত। 

তিনি ১৪ আগস্ট ২০১৮ তারিখ দুপুর ১২ টায় চ.বি. সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। 

উপাচার্য তাঁর ভাষণের শুরুতে বাঙালি জাতির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, মহাকালের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি রাজনীতির মহাকবি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট ঘাতক হায়েনাদের হাতে নির্মমভাবে শহীদ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যবর্গ, মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশলক্ষ শহীদ, জাতীয় চারনেতা ও অন্যান্য শহীদদের প্রতি বিনম্র চিত্তে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।  মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত দু’লক্ষ জায়া-জননী-কন্যার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। 

উপাচার্য সমাজ-সভ্যতার ইতিহাস আলোপাত করে বলেন, বাঙালি বীরের জাতি।  বঙ্গবন্ধু এই সত্যতা হৃদয়ে ধারণ করে বীর বাঙালিকে স্বাধীনতা অর্জনের পথে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, বিচক্ষণতা ও স্বদেশ প্রেমের অনবদ্য সৃষ্টির মাধ্যমে।  তাই বাংলাদেশের আরেক নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।  তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু অসা¤প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক-মানবিক এ মূল মন্ত্রে দিক্ষিত হয়ে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করেছেন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।  বঙ্গবন্ধু তনয়া মানবতার জননী প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর এ রাষ্ট্র দর্শন সঠিক ভাবে হৃদয়ে ধারণ করে সকল প্রকার অশুভ শক্তিকে পদদলিত করে বাংলাদেশকে রূপান্তর করেছেন বিশ্ব উন্নয়নের রোল মডেল। 

উপাচার্য আরও বলেন, সকলকে মনে রাখতে হবে ১৯৭৫ ও ২০১৮-এর প্রেক্ষাপট এক নয়।  আজকের প্রজন্মের সন্তানদের বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার হাতকে অধিকতর শক্তিশালী করতে আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে হতে হবে আত্মবিশ্বাসী।  এ লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত রুখে দিয়ে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্যদেরকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে জয়যুক্ত করার আহবান জানান। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চ.বি. উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার।  বঙ্গবন্ধু পরিষদ, চ.বি.এর সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রাশেদ-উন-নবীর সভাপতিত্বে এবং পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জনাব মো. মশিবুর রহামন-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অলক পাল, অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহবায়ক জনাব এ এইচ এম রাকিবুল মাওলা ও সদস্য-সচিব জনাব রাশেদ বিন আমীন চৌধুরী, পরিষদের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. অরুণ কুমার দেব,

পরিষদের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কামরুল হুদা, বাংলা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মহীবুল আজিজ, রসায়ন বিভাগের প্রফেসর বেনু কুমার দে, চ.বি. ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ফজলুল হক, ইতিহাস বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক, চ.বি. ক্লাব (ক্যাম্পাস)-এর সাধারণ সম্পাদক ড. মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সোহেল, অফিসার সমিতির সভাপতি জনাব এ কে এম মাহফুজুল হক, পরিষদের সদস্য-জনাব আবুল মনসুর, জনাব ইউসুফ আলী ও জনাব আলী হোসেন। 

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্যবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বিপুল সংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।