৬:০২ এএম, ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




শেরশাহ সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটিতে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা

বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে

১৬ আগস্ট ২০১৮, ০৩:৩৫ পিএম | মাসুম


এসএনএন২৪.কম : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে হত্যার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে আবারো পাকিস্তানী ধারায় নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র হয়ে ছিল।  বাংলাদেশের জনগন সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়ে দেশকে স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে এনেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী। 

বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম সাংবাদিক কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লি.  কর্তৃক শেরশাহ সাংবাদিক হাউজিং এলাকায় বুধবার রাতে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। 

সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সমীর কান্তি বড়–য়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমতিরি সম্পাদক ও সিইউজের সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস, সমিতির ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনসুর, সমিতির কোষাধক্ষ্য নুর উদ্দিন আহমেদ,  সিইউজের সাবেক সভাপতি এম.নাসিরুল হক, মোস্তাক আহমেদ, সিনিয়র সহসভাপতি মাঈনুদ্দিন দুলাল, প্রায়াত মোসলেম খানের পুত্র এমরান খানসহ শেরশাহ সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটি সদস্য এবং সিইউজের সদস্য বৃন্দ। 

সাংবাদিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতার কথা তুলে ধরে বক্তারা বলেন, শেরশাহ সাংবাদিক হাউজিং এলাকায় হবে আবাসন বঞ্চিত সাংবাদিকদের ঠিকানা।  ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের নেতৃত্বে শেরশাহ সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটি এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নের কাজ শুরু করেছেন।  পুরো এলাকা জুড়ে আলোকায়ন করা হয়েছে।  হাউজিং এলাকায় রাস্তার উন্নয়নে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে।  হাউজিং এলাকার মসজিদের উন্নয়নে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।  

সভায় বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য জায়গাটি সরকার নামমাত্র মূল্যে প্রদান করেছে।  ইতিমধ্যে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সমিতির পক্ষ থেকে বকেয়া খাজনা পরিশোধ করা হয়েছে।  নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর আরো ৩০ বছরের জন্য সমিতির পক্ষ থেকে জায়গাটির ইজারা নবায়ন করা হয়েছে। 

ইজারা চুক্তির শর্ত সবাইকে অনুসরন করার আহবান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, যারা ইজারা চুক্তি লংঘন করবেন, ইমারত বিধিমালা লংঘন করবেন তাদের বিরুদ্ধে আইগত: ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আলোচনা সভা শেষে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট যারা ঘাতকের বুলেটে নিহত হয়েছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। 



keya