১১:২৮ এএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, শনিবার | | ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




পর্যটকরা ভিড় করছে ভোলার তেঁতুলিয়া রিভার ভিউ পার্কে

০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৪:৫৫ পিএম | জাহিদ


গোপাল চন্দ্র দে, ভোলা প্রতিনিধি : মনোরম পরিবেশ, নদীর ঢেউ, বাহারি ডিজাইনে পার্কের নকশা, কোন প্রবেশ ফি না থাকা, নিরাপত্তার ব্যবস্থা সহ সূর্যাস্থ দেখা যায় বলে অপূরুপ সৌন্দর্যের কারনে পর্যটকদের আকর্ষনের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে তেঁতুলিয়া রিভার ভিউ পার্ক। 

ফলে প্রতিনিয়ত ভিড় করছে দেশ বিদেশী দর্শনার্থীরা।  নানা আকর্ষনের কারনে সৌন্দর্য্য পিপাসু মানুষের পরিবারের ও প্রিয়জনের সাথে সময় কাটাতে চলে আসছে এই পার্কটিতে।  ভোলা সদর উপজেলা অর্ন্তগত উপশহর বাংলাবাজারের দক্ষিন দিঘলদী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড কোড়ালিয়া গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া তেঁতুলিয়া নদী পাড়ে নির্মিত হয়েছে এ ‘তেঁতুলিয়া রিভার ভিউ’। 

বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের গ্রামের বাড়ীর ঠিক পাশেই তেঁতুলিয়া পাড়ে নির্মিত হয়েছে ‘তেঁতুলিয়া রিভার ভিউ’।  বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ভোলায় আসলে বাবা-মা এর কবর জিয়ারত করে অবসর সময় কাটানোর জন্য যান এখানে।  ভোলায় যখন কেউ বাণিজ্যমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হয়ে আসলে তাকে নিয়েও তোফায়েল আহমেদ যান এখানে। 

নদীবাধের কাজে ব্যবহৃত বøককে কাজে লাগিয়ে বাহারি সাজে সাজানো হয়েছে এ ‘তেঁতুলিয়া রিভার ভিউ পার্কটি। ’ সারিবদ্ধভাবে ব্লকের উপর আবার ব্লক বসিয়ে ৩টি করে সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে তা সাদা, লাল ও হলুদ রঙে রাঙিয়ে সাজানো হয়েছে বাহারি রুপে।  তার উপর রোদে পরিবার সহ বসা ও বসে কথা বলার জন্য রয়েছে কংক্রিটের ছাতা ও টেবিল চেয়ারের ব্যবস্থা। 

তাছাড়া ছবি তোলার জন্য ও একটি চমৎকার জায়গা আছে পার্কটি।  তাই প্রতিদিন এখানে দেখা মিলবে ছবি তুলতে আসা দর্শনার্থীদের।  নেই কোন প্রবেশ মূল্য, নেই নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যা বা পার্কিং ফি তাই যেন নিয়মিত বাড়ছে ভ্রমন পিপাসুদের সংখ্যা তেঁতুলিয়া রিভার ভিউতে। 

সানজিদা হোসেন এশা বলেন, এখানে নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যা নেই।  যে যার যার মত সময় কাটাচ্ছে।  পার্কটি আমাকে মুগ্ধ করেছে। 

তেঁতুলিয়া রিভার ভিউতে ঘুরতে আসা এম শাহরিয়ার জিলন জানান, এখানে এসে প্রকৃতির নির্মল বাতাস, নদীর কলকানি আমায় মুগ্ধ করেছে।  ভোলার কোন পর্যটন কেন্দ্রর থেকে এটি কম নয় বরং অন্যান্য স্থানের থেকে এটি অপরূপ রূপের অধিকারী। 

আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে সাথে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ মানুষের সব কান্তি অবসাদ দূর করে দেয়।  তাই এখানে আসি।  এখানে যদি কোন থাকার ব্যবস্থা করা হয় তবে অনেক পর্যটকের এখানে এসে প্রকৃতির পাশাপশি থাকার ইচ্ছা পূরন হবে। 

পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা ভোলা বিয়ে বাজারের কর্ণধার মনিরুল ইসলাম জানান, সারা সপ্তাহ কাজে ব্যস্ত থাকি পরিবারের সাথে সময় কাটানোর মত পর্যান্ত সময় হয়ে উঠে না।  কিন্তু ছুটির দিনে পরিবার সহ এখানে এসে সময় কাটাতে ভালো লাগে।  ছেলে, মেয়ে, বউ ও খুশি। 

ভোলা চেম্বার অব কর্মার্সের পরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, তেঁতুলিয়া পাড়ের এ ‘তেঁতুলিয়া রিভার ভিউ পার্ক’ ইতিমধ্যে জমে উঠেছে।  মানুষ অন্যান্য জায়গা ছেড়ে এখন এখানে আসছে সময় কাটাতে।  এখানে নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যা নেই।  পর্যটকরা নিজ ইচ্ছামত ঘুরাঘুরি করতে পারে।