১:৪৮ পিএম, ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




চট্টগ্রাম মহানগর বিএপির মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০৭:৫০ পিএম | মাসুম


নিজস্ব প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও আদালতের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের যা বলে তাই রায় হয়ে যায়।  এখন জোর যার মুল্লুক তার অবস্থায় দেশ চলছে।  তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আরেকটি মিথ্যা সাজা দেয়ার জন্য অসাংবিধানিকভাবে কারাগারে আদালত বসানো হয়েছে। 

তিনি কারাগারে আদালত বসানোর বিষয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলেন, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে, অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে প্রকাশ্য বিচার লাভের অধিকারী হবেন।  ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৫২ ধারায়ও বলা আছে, আদালত উম্মুক্ত থাকবে।  বাদী এবং বিবাদী পক্ষের আইনজীবিরা সম্মত হলেই গেজেট প্রকাশিত হয়। 

তিনি সোমবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে অসাংবিধানিকভাবে কারাগারে আদালত বসানো এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে কাজী দেউরী নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে নূর আহমদ সড়কে কেন্দ্রঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। 

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেন, ১ সেপ্টেম্বরের মহাসমাবেশের পর থেকে প্রতিটি থানায় বিএনপি নেতা কর্মীদের আসামী করে সরকার শত শত মামলা দায়ের করেছে।  যাতে যে কোন নেতাকর্মীকে যখন খুশি তখন জেলে ভরা যায়।  আতংকিত সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যেও আতংক ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।  জনগণের মধ্যে আওয়ামী নির্যাতনের যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, যে কোন সময় তার বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।  নৌকা এখন নিমজ্জমান, তাই ভয়ে খড়কুটো আটকে ধরে বাঁচতে চাচ্ছে সরকার। 

তিনি বলেন, বর্তমানে গণতন্ত্রের নামে স্বৈরশাসন চলছে।  বাক, ব্যক্তি স্বাধীনতা আজ পদদলিত।  বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।  গুম, খুন আমাদের চারপাশে কালো কাপড় পড়ে ঘুরে বেড়ায়।  এজন্য আইনশৃংখলা বাহিনীকে দেয়া হয়েছে দায় মুক্তি।  তারা মানুষ ধরে ক্রসফায়ারের নামে খুন করছে।  আর এইসবের প্রতিবাদ করলেই নেমে আসে পৈশাচিক নির্যাতন।  বিরোধী দলের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ হয়ে গেছে।  দেশব্যাপি এক নৈ:শব্দ বিরাজ করছে।  এ এক সর্বগ্রাসী ঝড়ের পূর্বাবাস। 

সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেছেন, সরকার বুঝতে পেরেছে যে, তাদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেছে।  দাঁড়ানোর কোন শক্ত জমিন তাদের নেই।  তাই সরকারের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা অবিরাম আবোল তাবোল বকতে শুরু করেছে।  দুয়ে দুয়ে চারের বদলে তারা চার’শ হিসেব করছে।  গণরোষের ভয়ে আতংকিত সরকার পাতা নড়ার শব্দেও চমকে উঠছে।  জোরে জোরে হাকঢাক দিয়ে শূন্যে লাঠি ঘুরাচ্ছে।  কিন্তু এ রকম পথে কোন উৎপীড়ক সরকারের শেষ রক্ষা হয় না। 

মানববন্ধন কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ছাত্রদল যুবদলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। 



keya