৪:৪৬ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রোববার | | ১২ মুহররম ১৪৪০


পিরোজপুরের প্রতিবন্ধী কলেজ ছাত্রী মানসুরার জীবন যুদ্ধ

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:১৩ পিএম | জাহিদ


সৈয়দ বশির আহম্মেদ, পিরোজপুর প্রতিনিধি :  মানসুরা আক্তার একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী।  মানসুরা জন্ম থেকেই ডান পা (হাটুর নীচ থেকে) না নিয়েই জন্মগ্রহণ করেন।  তার বাড়ি পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়েরকাঠীর ওদনকাঠী গ্রামে। 

বাবা আব্দুল মালেক সিকদার একজন মসজিদের ইমাম ও মা জাহানারা বেগম অন্যের বাসায় কাজ করেন।  অতি কষ্টে মানসুরা এসএসসি পাস করে পিরোজপুর তেজদাসকাঠী কলেজে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনা করছে।  চার-ভাইবোনের পরিবারের মধ্যে মানসুরা সবার ছোট।  তার বড় ভাই সবেমাত্র মাস্টার্স শেষ করেছে।  বড় বোন বিবাহিত।  মেঝ ভাই একটি কাপরের দোকানে কাজ করে।  দোকানে কাজ করা ভাই-ই উপর্জনক্ষম ব্যাক্তি। 

মানসুরা বলেন, জন্ম থেকেই ডান পা না নিয়েই আমি জন্মগ্রহণ করি।  অনেক কষ্টে হাটাচলা করে ২-৩কিলোমিটার হেটে কলেজে যাই পড়াশুনা করি।  তখন একটি কাঠের পা সংযোজন করে চললেও সেটি ভেঙ্গে যাওয়া আমি এখন প্রায় অচল।  তাই সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ আমাকে একটি কৃত্রিম পা ও বেচে থাকার জন্য একটি কাজ দিন। 

বাবা আব্দুল মালেক সিকদার বলেন, আমাদের পরিবারের ছোট সন্তান মানসুরাকে নিয়েই যত কষ্ট।  ও বড় হচ্ছে ওর ভবিষ্যৎ যে কি হবে সেটাই আমাদের চিন্তার বিষয়।  এখন সরকার যদি ওর দায়িত্ব নেয় তাহলে ওর জীবনটা পাল্টে যাবে। 

স্থানীয় ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, মানসুরার পা না থাকলেও সে থেমে যায়নি।  সে স্কুল থেকে পাস করে কলেজে উঠেছে।   মেয়েটা অনেক কষ্ট করে পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে।  আমাদের উচিৎ ওর পাশে থাকা এবং ওকে সরকারি ভাবে সকল সহযোগিতা করা। 


keya