১১:০০ এএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউস সানি ১৪৪০




শ্রীমঙ্গলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দূগাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সভা

০৯ অক্টোবর ২০১৮, ০৩:২০ পিএম | জাহিদ


তোফায়েল পাপ্পু, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আসন্ন সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজা।  হাতে গুনা আর মাত্র কয়েক দিন বাকি এরই মধ্যে বৃদ্ধ ও শিশুরাসহ সব বয়সী লোকেরা আনন্দে মেতে উঠেছে। 

অন্যদিকে পূজা উপলক্ষ্যে ছোট বড় সবার মধ্যে চলছে নানা ধরণের আয়োজন।  এছাড়া প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৃৎ শিল্পীরা।  উৎসবের রঙে সাজানো হচ্ছে মন্ডপগুলো।  কয়েকটা দিন পরেই মহাষষ্ঠী থেকেই পূজা মন্ডপগুলো ঢাক-ঢোলসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের শব্দে মুখরিত হবে। 

এদিকে আসন্ন দুর্গাপূজা ২০১৮ উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সুষ্ঠু, সুন্দর, শান্তিপূর্ণ, ও উৎসবমূখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে  প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক চীফ হুইপ, সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুস শহীদ এমপি। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রণধীর কুমার দেব।  অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রেমসাগর হাজরা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা চৌধুরী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন টিটো, শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আছকির মিয়া, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অর্ধেন্দু কুমার দেব প্রমুখ। 

এছাড়াও উপজো পূজা উদযাপন কমিটি, পূজা মন্ডপের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সমাজ সেবক ও সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

এবছর শ্রীমঙ্গল উপজেলায় মোট প্রায় ১৬৮টি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।  ১৫ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে দূর্গাপূজা শুরু হবে।  ১৬ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৭ অক্টোবর মহাষ্টমী, ১৮ অক্টোবর মহানবমী এবং ১৯ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে ৫দিন ব্যাপী দূর্গাপূজা সমাপ্তি ঘটবে। 

সভায় আইন শৃংখলা রক্ষার্থে পুজা মন্ডপে পুলিশ মোতায়েন, যানবাহন নিয়ন্ত্রনে ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ, পূজা মন্ডপ সমূহে ধর্মীয় গান ব্যতীত কোন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী গান বাজানো নিষিদ্ধ, পূজার সময় পটকা বা বাজি  না ফোটানো , পূজা মন্ডপ সমূহে জরুরী বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে জেনারেটর, চার্জার ও হ্যাজাক লাইটের ব্যবস্থা, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অগ্নি নির্বাপক পানি সরবরাহসহ সকল ব্যবস্থা, মেডিক্যাল টিম গঠন ও হাসপাতালে জরুরী বিভাগ চালু রাখা, প্রতিটি পূজামন্ডপ এলাকায় র‌্যাবের টহল জোরদারসহ বিভিন্ন ধরনের  সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।