১:৫৬ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪০




পাইকারি পর্যায়ে কমেছে চাল, ডাল, তেল ও চিনির দাম

১৯ অক্টোবর ২০১৮, ০৪:২৫ পিএম | মাসুম


এসএনএন২৪.কম : চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত সরবরাহের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট কমে যাওয়ায় পাইকারি পর্যায়ে কমতে শুরু করেছে চাল, ডাল, তেল এবং চিনির মতো অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম।  গত ১৫ দিনের ব্যবধানে ভোজ্য তেলের দাম কেজিতে কমেছে কমপক্ষে ৫ টাকা। 

আর চাল, চিনি ও ডালের দাম কমেছে দু'টাকা করে।  তবে দুর্গাপূজার জন্য স্থলবন্দরগুলো বন্ধ থাকায় কিছুটা বেড়েছে আদা-রসুন ও পেঁয়াজের দাম। 

প্রতি বছরই শীত মৌসুম শুরুর আগেই ভোজ্য তেলের মধ্যে সয়াবিনের দাম কিছুটা বেড়ে যায়।  কারণ এসব পাম কিংবা সুপার অয়েল জমাট বাধার কারণে চাহিদা বাড়ে সয়াবিনের।  কিন্তু চলতি বছর আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরণের ভোজ্য তেলের বুকিং রেট প্রতি টনে কমেছে অন্তত ৭০ ডলার। 

আর এন এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী আলমগীর পারভেজ বলেন, ‘সামনে সয়াবিনের একটু চাহিদা বাড়বে।  কিন্তু মাল আছে প্রচুর।  এবং বেশি ক্রাইসিস না হয়, তাহলে সয়াবিনের দাম খুব একটা বাড়বে বলে মনে হয় না।  আন্তর্জাতিক বুকিং কমে গেছে।  যার দরুণ বাজারে একটা প্রভাব পড়েছে।  সাধারণ ভোজ্য তেলের বাজারটা মণপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমে গেছে। ’

নিজ দেশে ফলন ভালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ডাল কেনা কমিয়ে দিয়েছে ভারত।  ফলে বুকিং রেটও দিনদিন কমছে।  এর প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের ডালের বাজারে। 

মেসার্স এফ এম ট্রেডার্স-এর সত্ত্বাধিকারী  মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে ডালের দাম কম।  সেই হিসাবে আমার দেশের বাজারে ডালের দাম কম।  কোনো উর্ধ্বগতি হবার রক্ষণ আমরা দেখছি না। ’

সয়াবিন তেলের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে কমছে চিনির দামও।  সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি চিনির দাম ১ টাকা করে কমেছে। 

মেসার্স সুফী ট্রেডার্স-এর সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘বাংলাদেশে চিনির অবস্থা খুবই স্থিতিশীল আছে।  ১৬৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।  ৪৪ টাাকা ৮২ পয়সা করে বেচাকেনা হচ্ছে। ’

শারদীয় দুর্গাৎসবের কারণে দেশের স্থল বন্দরগুলো দিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি অনেকটা বন্ধ রয়েছে।  এ অবস্থায় সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও বেড়েছে আদা, রসুন এবং পেঁয়াজের দাম। 

গত দেড় মাসের ধারাবাহিকতায় কমছে সব ধরণের চালের দাম।  এ সপ্তাহে’ও চালের দাম প্রকার ভেদে কমেছে কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা।  বর্তমানে সাধারণ মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।