১১:১৩ পিএম, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রোববার | | ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




কক্সবাজারে র‌্যাবের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার-৪

২৪ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:১৬ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮২,০০০ পিস ইয়াবা, ১ টি পিকআপ ও ১ টি প্রাইভেটকারসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭। 

গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী কক্সবাজার হতে একটি পিকআপ এবং একটি প্রাইভেটকার যোগে বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে আসছে।  উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২৪ অক্টোবর ২০১৮ ইং তারিখে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন কক্সবাজার টু চট্রগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের বাকখালী ব্রিজের পূর্ব পার্শ্বে বাংলা বাজার জিসি, খুরুশকুল জিসি ভায়া পিএমখালী ইউপি অফিস সড়ক এর মাথায় পাকা রাস্তার উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে গাড়ি তল­াশি শুরু করে। 

এ সময় কক্সবাজার হতে চট্টগ্রামগামী একটি পিকআপ এবং পিকআপের পিছন পিছন আসা একটি প্রাইভেটকার এর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে র‌্যাব সদস্যরা গাড়ি দুইটিকে থামানোর সংকেত দিলে তাৎক্ষনিক গাড়ি দুইটি রাস্তার পাশে থামিয়ে গাড়ি থেকে নেমে কিছু লোক দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে আসামী মেহেদী হাসান জাকির (৩০), মোঃ লোকমান হোসেন (২২), মোঃ লিটন মিয়া (৩৪), মোঃ সুমন (৩২), পিতা- মৃত হুমায়ন কবির, গ্রাম- রামধনপুর, ৭নং ওয়ার্ড, থানা- দক্ষিণ সদর, সর্বজেলা- কুমিল্লা’দেরকে আটক করে। 

পরবর্তীতে উপস্থিতি সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে পিকআপটি তল­াশি করে পিকআপের মধ্যে তৈলের ট্যাংকির ভিতরে অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় ৮২,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং উক্ত পিকআপ (চট্র মেট্রো ন-১১-৬৯২৭) ও প্রাইভেটকারটি (ঢাকা মেট্রো গ ২২-৮১৭০) জব্দ করা হয়। 

আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত উক্ত পিকআপ এবং প্রাইভেটকারটি ব্যবহার করে কক্সবাজার থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে।  উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ০৪ কোটি ১০ লক্ষ টাকা ও জব্দকৃত পিকআপের আনুমানিক মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা এবং প্রাইভেটকারের আনুমানিক মূল্য ৩০ লক্ষ টাকা। 

গ্রেফতারকৃত আসামী এবং উদ্ধারকৃত মালামাল সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে কক্সবাজার জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। 



keya