১০:৩০ পিএম, ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রোববার | | ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




মালয়েশিয়া কুয়ালালামপুরে পর্যটকদের পছন্দ বাংলাদেশি মালিকানাধীন ডব্লিউ হোটেল

০৩ নভেম্বর ২০১৮, ১১:০৬ এএম | জাহিদ


আশরাফুল মামুন, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি আর পাহাড়, সমুদ্র আর সমতলভূমির সমন্বয়ে অপরূপ সৌন্দর্যের মালয়েশিয়ায় সারা বছরজুড়েই পর্যটকদের পদ ভারে মুখরিত থাকে। 

একইসঙ্গে এশিয়া এবং ইউরোপ-আমেরিকার মত স্বপ্নীল রাজ্যের স্বাদ পেতে এশিয়া ও আরব অঞ্চলের দেশগুলোর পর্যটকরা ভিড় জমান এখানে।  নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া ও চির সবুজের বৃষ্টিস্নাত বনভূমি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে ইউরোপ-আমেরিকার পর্যটকদের। 

বছরজুড়ে ঘুরতে আসা পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে দেশটির রাজধানী কুয়ালালামপুরে গড়ে উঠেছে হাজারও আন্তর্জাতিক মানের বিলাসবহুল হোটেল-মোটেল।  আর এই খাতে বাংলাদশী প্রবাসী কর্মীদের একটি বড় অংশে কর্মরত আছে।  এরই একটি ডব্লিউ হোটেল।  বাংলাদেশি মালিকানাধীন এই হোটেলটি রাজধানী কুয়ালালামপুরের মসজিদ জামেক এর বানিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত।  এখান থেকে খুব সহজেই ট্রেন, বাস বা ট্যাক্সিতে করে শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরতে পারেন পর্যটকরা।  বাংলাদেশ থেকে সারা বছরই অসংখ্য পর্যটক আসে মালয়েশিয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে।  বিশেষ করে তাদের জন্যে অপেক্ষাকৃত কম মুল্যে আন্তরিক ভাবে সার্বক্ষনিক স্পেশাল সেবা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। 

ডব্লিউ হোটেলের সহঃ ম্যানেজার মোস্তফা ইমরান রাজু বলেন, মালয়েশিয়ার স্বাধীনতা চত্বর বা মারদেকা স্কয়ারঘেঁষা ডব্লিউ হোটেলের পর্যটকরা পায়ে হাঁটা দূরত্বে ঘুরে দেখতে পারবেন মসজিদ জামেক, চায়না টাউন, মসজিদ ইন্ডিয়া, সেন্ট্রাল মার্কেট, মসজিদ নিগারা, বুকিত বিনতানসহ বেশ কিছু স্থান।  মালয়েশিয়ার ঐতিহ্য কেএলসিসি এবং কেএল টাওয়ারের দূরত্ব এক থেকে দেড় কিলোমিটারের মধ্যে।  বিকেল বা সন্ধ্যায় সময় কাটাতে পারেন হোটেল লাগোয়া ‘দ্য রিভার অব লাইফ’ এর পাশে।  যেখানে বর্ণিল আলোয় পানির ফোয়ারা নদীর সৌন্দর্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। 

ডব্লিউ হোটেলের স্বত্বাধিকারী প্রবাসী বিশিষ্ঠ্য ব্যবসায়ী জনাব ওহিদুর রহমান বলেন, মালয়েশিয়ায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের স্বল্প খরচে থাকার সুবিধা দিতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।  হোটেলের সুযোগ-সুবিধা ও সেবার মান থ্রি-স্টার মানের।  পর্যটকদের মালয়েশিয়া ভ্রমণ, বিমানবন্দর থেকে আনা-নেয়া ও  টুরিস্ট গাইডের ব্যবস্থা রয়েছে ডব্লিউ হোটেলে।  ভ্রমণের সময় ট্যুর গাইড পর্যটকদের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনা ও ভ্রমণ স্থানের বর্ণনা দিবে। 

ওহিদুর রহমান আরও বলেন, দ্বিতীয় তলায় হোটেলের নিজস্ব ক্যাফেতে অতিথিদের জন্য সকালে ব্রেকফাস্ট এবং দুপুর ও রাতে খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।  ক্যাফেতে বসে শহরের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা। 

হোটেলের পাশেই রয়েছে কেএফসি, ম্যাকডোনাল্ডস, বার্গার কিং এর মতো নামিদামি খাবারের দোকান।  হাঁটার দূরত্বেই রয়েছে মাইডিন, হানিফা, সোগো, লুলু’র মতো শপিংমল।  আছে মালাবার, জয়ালুকাসের মতো ব্র্যান্ডের স্বর্ণের দোকান। 

এছাড়া ডব্লিউ হোটেলের বিশেষ অফারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ট্যুর প্যাকেজ।  মাত্র ২৬ হাজার টাকায় ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা বিমান টিকিট, তিনদিন দুই রাত সকালের নাস্তাসহ হোটেলে থাকা এবং কুয়ালালামপুর শহর ভ্রমণের অফার রয়েছে ডব্লিউ হোটেলের।  শুধু কুয়ালালামপুর নয় মালয়েশিয়ার যেকোনো প্রান্ত ভ্রমণে পর্যটকদের সেরা সেবা দিয়ে যাচ্ছে ডব্লিউ হোটেল। 

আর এসব কারণেই মালয়েশিয়া ঘুরতে আসা পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় বেশ ওপরে রয়েছে ডব্লিউ হোটেল।  ২০ জুলাই হোটেলটি উদ্বোধনের পর থেকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হোটেলটি।  অতিথিরা হোটেলের সেবায় মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন তাদের কমেন্ট বক্সে।  সবমিলিয়ে পারিবারিক আবহে ডব্লিউ হোটেলের গুনগত মান নিয়ে প্রশংসার ফুলঝুরি এখন কুয়ালালামপুরে পর্যটকদের মুখে মুখে। 

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের ১৯, জালান তুন পেরাকে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ডব্লিউ হোটেল তাই বাংলাদেশীদের গর্ব। 



keya