৯:৪৬ এএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, রোববার | | ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪০




শামীম সাঈদীর প্রার্থীতায় নাজিরপুরে নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত

০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:৪০ পিএম | জাহিদ


দেলোয়ার হোসাইন, পিরোজপুর : পিরোজপুর-১আসনে জোটের প্রার্থী হিসাবে সাঈদী পুত্র শামীম সাঈদীকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে বিএনপির তৃণমুলের নেতা কর্মীরা উজ্জীবিত।   এ আসনে ঐক্যফ্রন্ট থেকে দু’জন প্রার্থী করা হয়েছে। 

জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী পর পর দু বার এ আসনে এমপি ছিলেন।  তার সময়ে পিরোজপুর- ১ আসনের সর্ব্বস্তরের মানুষ সমান সুযোগ ভোগ করেছেন।  তিনি শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন করতে গিয়ে সরকারের অর্থের তছরুপ না করার বিষয়টি পিরোজপুর বাসি শ্রদ্ধার সাথে মনে রেখেছেন। 

তার সময় টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড,দলবাজি ও নিয়োগ বানিজ্য না হওয়ায় সাধারণ মানুষ আজো তার সময়ের উদাহরণ দিয়ে থাকেন।  নাম প্রকাশ না করার শর্তে নাজিরপুর উপজেলার বাসিন্দা এ ক কলেজ শিক্ষক বলেন গত দশ বছরে আমরা পিরোজপুর জেলা সদরসহ নাজিরপুরের মানুষেরা যা দেখেছি সে কথা মরার পুর্ব পর্যন্ত ভুলতে পারবোনা। 

তিনি উপজেলার মালিখালী ইউনিয়নের পেনাখালীর এ নারকীয় ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন আওয়ামীলীগের এমপির ক্যাডার টিপু বাহিনী আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাড়ি বাড়ি অগ্নি সংযোগ, হত্যা ও লুটপাট মানুষ ভোলেনি।   এ আসনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে যোগ্য প্রার্থী হিসাবে  সাঈদী পুত্রকে চান তারা।  

উপজেলা  বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক  সাবেক ছাত্র নেতা এইচ এম লাহেল মাহমুদ বলেন মাওলানা সাঈদীর পুত্র প্রার্থী হওয়ায় একটি কুচক্রীমহল খুশি না হলেও সাধারণ ভোটারসহ নিরিহ মানুষেরা উজ্জীবিত।  উপজেলার সদর ইউনিয়ন বিএনপির  সভাপতি  মো. আছাদুজ্জামান শিকদার, সাধারন সম্পাদক  মো. মহর আলী মৃধা, শাখারীকাঠীর সভাপতি  মো. জাকির হোসেন খান, মালিখালীর সভাপতি মাষ্টার  মো. হাবিবুর রহমান, দেউলবাড়ির সাধারন সম্পাদক  মো. হান্নান শিকদার, শ্রীরামকাঠী সাধারন সম্পাদক  মো. নাছির উদ্দিন মল্লিক, কলারদোয়ানিয়ার সহসভাপতি  মো. আরিফুর রহমান উজ্জল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম টুকু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্মসাধারন সম্পাদক  অ্যাডভোকেট. অনুপ কুমার শিকদার,  উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মাজেদুল কবির রাসেল,  সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম প্রমুখ বলেন, যেহেতু সাবেক সাংসদ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী এমপি থাকা কালে এখানে  কোন নিয়োগ বানিজ্যসহ কোন দুর্নীতি হয়নি। 

সাধারণ মানুষের মুল্যায়ন ছিলো।  তিনি কোন সন্ত্রাসী বা ক্যাডার বাহিনী তৈরি করেননি।  তাই তার ব্যাক্তি ইমেজকে কাজে লাগিয়ে ও জামায়াতের নিজস্ব কিছিু ভোট থাকায় এ আসনে সাঈদী পুত্র শামীম সাঈদীকে ধানের শীষের প্রার্থী সিহাবে মনোনয়ন দিলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত।