১০:০৮ পিএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার | | ৬ রবিউস সানি ১৪৪০




পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি থেকে

সুমনকে প্রার্থী করার দাবিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে চিঠি

০৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৩:৪৫ পিএম | জাহিদ


মুহাঃ দেলোয়ার হোসাইন, পিরোজপুর :  জাতীয় সংসদের ১২৮ পিরোজপুর-২ আসনে(ভান্ডারিয়া, কাউখালী, ইন্দুরকানী) মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান পানিসম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।  এ আসনে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট থেকে ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ভান্ডারিয়া উপজেলা কমিটির সভাপতি আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমনকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।  

পিরোজপুর-২ আসনে চুড়াভাবে বিএনপির আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমনকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য পিরোজপুর জেলা ও বিভন্ন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ বিএনপির মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে চিঠি দিয়েছেন। 

চিঠিতে স্বাক্ষর করেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি গাজী নূরুজ্জামান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, ইন্দুরকানী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল লতিফ হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক ফাইজুল কবীর তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এইচ,এম দ্বীন মোহাম্মাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মিরাজ আলম, ভান্ডারিয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ তহা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান দিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক আঃ মান্নান হাওলাদার, ভান্ডারিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ মনির আকন, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সাখাওয়াত হোসেন মিঠু প্রমুখ। 

চিঠিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন পিরোজপুর জেলার তিনটি আসনের মধ্যে পিরোজপুর-২ (ইন্দুরকানী-ভান্ডারিয়া-কাউখালী) আসনের মহাজোটের হ্যাভিওয়েট প্রার্থী পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু।  দীর্ঘ ২২ বছর ধরে এ আসনটি জেপি নেতার দখলে রয়েছে। 

কিন্তু একাদশ সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি থেকে আহম্মেদ সোহেল মঞ্জুর সুমনকে ছাড়াও ২০ দলীয় জোট থেকে লেবার পার্র্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরানকে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়।  তার মনোনয়নে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিস্মিত।  এ আসনটি মহাজোট প্রার্থীর হাত থেকে উদ্ধার করতে হলে বিএনপি তৃণমূল মানুষের নেতা আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমনকেই দরকার বলে তারা মনে করেন। 

চিঠি দেয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সভাপতি গাজী নূরুজ্জামান বাবুল সত্যতা স্বীকার করেন।  



keya