১:০১ এএম, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৬ শাওয়াল ১৪৪০




মুসলেহ‌্উদ্দিন মুহাম্মদ বদরুলের দৃষ্টিতে আবুধাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ

১৩ মার্চ ২০১৯, ১২:১৫ পিএম | জাহিদ


মুহাম্মদ এনাম হোসেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত : মসজিদ টির নামকরণ করা হয়েছে আরব- আমিরাতের প্রয়াত শাসক, আধুনিক আমিরাতের জনক শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান এর নামানুসারে। 

মুল মসজিদ কক্ষে রয়েছে ইরানের কার্পেট কোম্পানি তৈরি যা ইরানী শিল্পী আলী খালিদির ডিজাইনে বিশ্বের বৃহত্তম গালিচা।  এই গালিচা ৬০৫৭০ বর্গ ফুট এবং এটির ওজন ৩৫ টন।  নিউজিল্যান্ড এবং ইরানের উল থেকে এই গালিচাটি তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় দুই বছর।  

মসজিদে বিভিন্ন ধরনের ৪০টি গম্বুজ রয়েছে।  প্রত্যেকটি গম্বুজের উচ্চতা (বাহ্যিক) ৮৫ মিটার (২৭৯ ফুট) এবং ব্যাস ৩২.২ মিটার (১০৬ ফুট)।  মিনারের সংখ্যা ৪টি এবং প্রতিটি মিনারের উচ্চতা ১০৭ মিটার (৩৫১ ফুট)। 


স্ফটিক সচ্ছ লক্ষ লক্ষ পাথরের তৈরি পৃথিবীর বৃহত্তম ঝাড়বাতিটি রয়েছে এই মসজিদে।  জার্মানির তৈরি ঝাড়বাতিটির ব্যাস ১০ মিটার (৩৩ ফুট) এবং উচ্চতা ১৫ মিটার (৪৯ ফুট)।  দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ঝাড়বাতিও এই মসজিদের শ্রী বাড়িয়েছে।  মার্বেল মোজাইক দ্বারা নির্মিত  মসজিদটির আঙিনা ১৭ হাজার বর্গমিটার।  এটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ আয়তনের মার্বেল মোজাইক।  প্রধান হলের মুসল্লির ধারণ ক্ষমতা ৭০০০।  সাথেই রয়েছে ২টি প্রার্থনা হল এবং এক একটি ১৫০০ মুসল্লির ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন।  ২টি হলের ১ টি মহিলা মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত।  প্রার্থনা হল ও আঙ্গিনা মিলিয়ে ৪০,০০০ মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন।  জুম্মা ও ঈদে সর্বমোট দেড় থেকে দুই লাখ মুসল্লি শেখ জায়েদ মসজিদে নামাজ আদায় করেন। 

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমও এই মসজিদের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়।  আধুনিক ও ইসলামী বইয়ের এক অনন্য সংগ্রহশালা রয়েছে মসজিদ লাইব্রেরীতে।  ইসলামী বিশ্বের বৈচিত্র্য এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঐতিহ্য ফুটিয়ে তুলতে সংগ্রহ করা হয়েছে আরবি, ইংরেজি, ফরাসি, ইতালীয়, স্পেনীয়, জার্মান ও কোরীয় সহ বিভিন্ন ভাষার ব‌ই।