৭:১৭ পিএম, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৮ রমজান ১৪৪০




স্কুল ছাত্রের সচেতনতায় চট্রগ্রামগামী ৫ শতাধিক ট্রেনযাত্রী দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন

০৮ মে ২০১৯, ১১:১২ পিএম | জাহিদ


হাবিব সরোয়ার আজাদ, সিলেট : স্কুল ছাত্রের সচেনতার কারনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্রগ্রামগামী ৫ শতাধিক ট্রেনযাত্রী বড় ধরণের দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন।  

মঙ্গলবার রাতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আবুল হোসেন নামের এক নবম শ্রেণির স্কুল ছাত্রের সচেনতার কারনে ট্রেনে থাকা যাত্রীরা বড় ধরণের হতাহত বা দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন।  

জানা গেছে, পাঁচ শতাধিক যাত্রী নিয়ে চট্রগ্রাম অভিমুখী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিলেট ছাড়ে মঙ্গলবার রাতে।  

এদিকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে টায় কমলগঞ্জের কামুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র শমসেরনগর ঈদগাহ টিলা গ্রামের আবুল হোসেন বাড়ি থেকে ফেরার পথে রেলের একটি স্লিপার ভেঙ্গে ফাঁক হয়ে থাকতে দেখে প্রথমে গ্রামবাসীদের অবহিত করেন।  

গ্রামবাসীরা এ খবরটি  দ্রত শমশেরনগর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য শেখ রায়হান ফারুকের মাধ্যমে শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ ও শ্রীমঙ্গলস্থ রেলওয়ের গণপূর্ত বিভাগকে অবহিত করেন। 

এ খবর পেয়ে রেলওয়ে গণপূর্ত বিভাগের শ্রীমঙ্গলস্থ উপ-সহকারি প্রকৌশলী গ্যাঙ্গম্যানদের নিয়ে এসে দ্রত ভাঙ্গা রেল স্লিপার সরিয়ে নতুন একটি স্লিপার স্থাপন করেন।  

শমসেনগর এলাকার সিলেট-আখাউড়া রেলপথের ৩০৬/২ নং রেলপথ লাইনে ওই ঘটনাটি ঘটলে রাত ১১টা থেকে প্রায় ১ ঘন্টা সময় অবধি থমকে ছিল ট্রেনযাত্রা । 

প্রায় একঘন্টা পর ওই লাইনে ট্রেন চলাচল আবারো স্বাভাবিক হয়।  এসময় শমশেরনগর রেলওয়ে স্টেশনে চট্রগ্রাম অভিমুখী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস  ট্রেনটি শমশেরনগর স্টেশনে ই আটকা পড়েছিল।  অপরদিকে রেল লাইনের স্লিপার ভেঙ্গে যাওয়ার খবর পেয়ে  ঢাকাগামী আন্ত:নগর উপবন এক্সপ্রেস ট্রেন কুলাউড়া স্টেশনেই ওই রাতে প্রায় আধাঘন্টার মত  আটকা পড়েছিল। 

বুধবার স্কুল ছাত্র আবুল হোসেন তার নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন , মঙ্গলবার রাতে একটি কাজে সায়েদ মিয়ার বাড়িতে গেলে সেখানে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় টর্চ লাইটের আলোতে দেখি রেলপথের একটি পাত (স্লিপার) দ্বিখন্ডিত হয়ে পড়েছে।  আমার মনে হয় এ অবস্থায় ট্রেন চলাচল করলে বড় ধরণের দুর্ঘটনা হতে পারে, তাই আমি গ্রামবাসীকে বিষয়টি বলি। 

শমশেরনগর স্টেশন মাস্টার কবির আহমদ বলেন, স্কুল ছাত্র আবুল হোসেন দ্রুত সচেনতামুলক পদক্ষেপ নিয়ে গ্রামবাসীকে অবহিত করার কারনেই মুলত একটি বড় ধরণের  ট্রেন দুর্ঘটনা  এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। 


keya