৬:১৭ এএম, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার | | ২৩ সফর ১৪৪১




গুরুদাসপুরে দর্জির দোকানে বাড়ছে মহিলা ক্রেতার সংখ্যা

১৯ মে ২০১৯, ১১:৩৮ এএম | জাহিদ


মো.আখলাকুজ্জামান, গুরুদাসপুর : নতুন পোষাক তৈরীতে সময় আর বেশি নেই।  সামনেই ঈদ।  তাই সবাই একটু পছন্দ করে পোষাক কিনতে চায়।  রোজার শুরু থেকেই মার্কেটে ভীড় জমেছে।  ভীড় এড়াতে নাটোরের গুরুদাসপুরে বিভিন্ন বিপনি বিতানের দর্জি বাড়িতে পোষাকের অর্ডার দিচ্ছেন ক্রেতা সাধারণ।  তবে ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় গার্মেন্টগুলোতে বেচাকেনায় কৃষক পরিবারের সদস্যদের তেমন ভীড় নেই।  

রোববার সকালে পৌর সদরের চাঁচকৈড় বাজারে গিয়ে দেখা যায়, তৈরী পোষাকের দোকানগুলোর দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা।  আর অর্ডার নিতে হিমশিম খাচ্ছেন দর্জি দোকানের কারিগররা।  এখানে মহিলা ক্রেতার সংখ্যাই বেশি।  ইচ্ছেমত ডিজাইন ও পারফেক্ট ফিটিংয়ের কাপড় কিনতে গজ কাপড়ের দোকান বা মার্কেটে ভীড় জমাচ্ছেন। 

পছন্দের কাপড় কেনার পর রঙ আর শেপ মিলিয়ে লেইস কিনছেন আগ্রহীরা।  তবে চাঁচকৈড় বাজারের শিউলী ক্লথ ষ্টোর, আরাফাত বস্ত্রালয়, জামিল ক্লথ ষ্টোর, আলিফ ক্লথ ষ্টোর, আঁখি সুতা ঘর, বিথী বস্ত্রালয়, হালিম টেইলার্স, স্টার টেইলার্স, গোকুল ক্লথ ষ্টোর প্রভৃতি দোকানে ছিট কাপড় ও থ্রি পিচ বিক্রি হচ্ছে বেশি।  দর্জিদের দম ফেলানোর সময় নেই। 

অপরদিকে এখনও ভীড় জমেনি গার্মেন্টসগুলোতে।  মক্কা বস্ত্রালয়, স্বপ্না গার্মেন্ট, পিংকী গার্মেন্ট, জয়া গার্মেন্ট, মন্ডল গার্মেন্ট, জাকারিয়া গার্মেন্ট, মা গার্মেন্ট, রুকাইয়া গার্মেন্টে মধ্যস্বত্বভোগীদের কিছুটা ভীড় দেখা গেলেও কৃষক পরিবারের লোকজনের তেমন ভীড় নেই।  

গার্মেন্ট মালিকরা জানান, কৃষকরা ফসলের ন্যায্য দাম পেলে বাজারে ভীড় আরো বাড়তো।  ধান, রসুনের দাম ভাল না থাকায় বেচাকেনায় বাজার মন্দা।  তাছাড়া তুলনামূলকভাবে দামী পোষাক কম বিক্রি হচ্ছে।  

বিয়াঘাট গ্রামের কৃষক মান্নান আক্ষেপ করে জানান, ধানের দাম কম।  কিন্তু পরিবারের ছোট সদস্যরা এসব বুঝবে না।  তাই অন্যদিকে ঘাটতি রেখে তাদের ঈদ উৎসব পালন করতে নতুন পোষাক কিনে দিতেই হচ্ছে।