৪:৪২ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার | | ২৩ মুহররম ১৪৪১




লক্ষ্মীপুরে সিএনজি ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ

২৭ মে ২০১৯, ০৩:৪০ পিএম | জাহিদ


সোহেল মাহমুদ মিলন, লক্ষ্মীপুর : লক্ষ্মীপুরে ছিনতাইকৃত সিএনজি চালিত অটোরিক্সা বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্য।  কৌশলে ছিনতাইকারীদের আটক করে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। 

রবিবার (২৬ মে) রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার মান্দারী পূর্ব বাজার থেকে একটি ছিনতাইকৃত সিএনজিসহ তিন ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশ। 

আটকরা হলো, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে শামছুল আলম (৩৮), একই এলাকার নুরুল হুদার ছেলে ফয়সাল (৩২) ও চরচামিতা গ্রামের মৃত ইউসূফের ছেলে জাকির হোসেন (৩৫)।  তারা সিএনজি ছিনতাই ও মাদক কারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে অভিযোগ রয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বিকালে মান্দারী ইউনিয়নের মটবী এলাকায় একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা মাত্র ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করতে এসে ধরা পড়েন ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য শামছুল আলম।  পরে কৌশলে তাকে দিয়ে চক্রের অন্য সদস্যদের ডাকা হয়, সিএনজি বিক্রি করে প্রাপ্ত টাকার ভাগ নেওয়ার জন্য।  টাকার ভাগ নিতে এসে ফয়সাল ও জাকির ধরা পড়ে।  এসময় মিঠু নামে একজনের মাথা ফাটিয়ে পালিয়ে যায় হাজিরপাড়া ইউনিয়নের ইউসূফপুর গ্রামের স¤্রাট নামে চক্রের আরও এক সদস্য।  এরপর উত্তেজিত জনতা আটককৃতদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। 

এরই মধ্যে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ছিনতাইকৃত সিএনজি চালিত অটোরিক্সার মালিক নোয়াখালীর অনন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা নুরুল হক।  তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ১১টার দিকে তার সিএনজিটি ছিনতাই হয়।  ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা যাত্রী সেজে নোয়াখালীর একলাশপুর থেকে সিএনজি রিজার্ভ ভাড়া নিয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরচামিতা এলাকায় আসে।  পরে সিএনজি চালক সোলাইমানকে মারধর করে সিএনজিটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায় তারা।  সিএনজি নম্বর নোয়াখালী-ট : ১২-২২৬৮।  এ ঘটনায় পরদিন চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয় বলেও জানান তিনি। 

চন্দ্রগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে সদর উপজেলার মান্দারী পূর্ব বাজার থেকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সাসহ ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে আটক করা হয়।  আটককৃতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর থানায় নেওয়া হয়েছে।  এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। 


keya