৭:২৭ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার | | ২০ মুহররম ১৪৪১




বালিয়াকান্দিতে ঈদ উপলক্ষে হতদরিদ্রদের ভিজিএফ কার্ড দুই’শ কার্ডের সোয়াশই ভুয়া!

২৯ মে ২০১৯, ১০:৫২ এএম | জাহিদ


এম.মনিরুজ্জামান, রাজবাড়ী :  ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুঃস্থ ও অসহায়দের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাউলের তালিকা প্রনয়নে দুর্ণীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। 

একটি ওয়ার্ডে ২শত কার্ডধারীর নাম পেলেও তার মধ্যে সোয়াশ নামই ভুয়া।  তারা কিছুই জানে না ভিজিএফ সম্পর্কে।  এমনই ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বেতাঙ্গা ও স্বর্পবেতাঙ্গা গ্রামে। 

গত মঙ্গলবার বিকালে এলাকার লোকজনের পক্ষে জামালপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রিয় রঞ্জন দে ও সাধারন সম্পাদক মোঃ আবুল খায়ের মোল্যা স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট দাখিল করেছেন। 

অভিযোগে তারা বলেন, উপজেলার ৭নং জামালপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বেতাঙ্গা ও স্বর্পবেতাঙ্গার সচেতন এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ করছি যে, গত তিন বছর একই তালিকায় ভিজিএফ কার্ড প্রদানে অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে।  বিষয়টি এলাকাবাসী সম্পূর্ণ অগোচের ছিল।  গত ২৭ মে ২নং ওয়ার্ডের ভিজিএফ এর পূর্নাঙ্গ তালিকা আমাদের হাতে আসায় আমরা সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তালিকাটি যাচাই-বাছাই করে ব্যাপক অনিয়ম ও র্দুর্নীতি পেয়েছি। 

তারা বলেন, একই নাম একাধিকার যার সংখ্যা ৮ থেকে ৯টা, এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি যার বাড়ীতে বিল্ডিং, পাকা ঘর এবং ১০ থেকে ২০ পাখি জমির মালিক, মাসিক ত্রিশ কেজি চাউল পায় এবং ১০ টাকা কেজি চাউল ও বয়স্ক ভাতা প্রাপ্ত ব্যক্তির ওই ভিজিএফ তালিকায় নাম আছে।  ২নং ওয়ার্ডের বেতাঙ্গা ও স্বর্পবেতাঙ্গা ২০৪ টি ভিজিএফ কার্ডে তালিকা এলাকাবাসীর তদন্তে প্রতিয়মান ২০৪ টি কার্ডের মধ্যে নূন্যতম ১২০-১২৫ জন ব্যক্তি জানেন না তাদের নামে ভিজিএফ এর চাউল উত্তোলন হয়। 

এলাকাবাসী ২৭ মে থেকে অদ্য পর্যন্ত তদন্ত করে দেখেন, প্রকৃত হকদার ব্যক্তিগর্ণ সরকারী অনুদান থেকে বি ত হচ্ছে।  উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজা, জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, স্থানীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন দপ্তরে এ লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেছেন। 

এ বিষয়ে জামালপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামাল সরদারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার ফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। 

জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুছ আলী সরদার বলেন, আমি চাই তালিকা সঠিক হোক।  এ রকম অভিযোগ উঠলে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।  তবে খোঁজ নিয়ে দেখছি।  সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।