৪:১২ এএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার | | ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১




সাজেকের বাসিন্দারা দেখবে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র !

১১ জুন ২০১৯, ০৯:৫২ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : হৃদয়ের রংধনু’-এর পরিচালক ও শিল্পীরাগত ২২ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল রাজিবুল হোসেন পরিচালিত ‌‘হৃদয়ের রংধনু’। 

হল ব্যবস্থাপনায় ভরসা রাখতে না পেরে প্রথম থেকেই এই নির্মাতা বিকল্প পদ্ধতিতে ছবি দেখানোর উদ্যোগ নেন। 

প্রদর্শন করা হয় দেশের বিভিন্ন মিলনায়তনে।  সেই ধারাবাহিকতায় এটি দেখানো হবে দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা রাঙামাটির সাজেকে।  এর ফলে এই জনপদের জনগোষ্ঠী প্রথমবারের মতো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দেখবে বলে জানান পরিচালক। 

আর এ প্রদর্শনী বিনা টিকিট ও খোলা জায়গায় হবে।  রাজিবুল হোসেন জানান, আগামী ১৩ ও ১৪ জুন রাতে এগুলো চলবে। 

পরিচালক রাজিবুল হোসেন বলেন, ‘এর আগে আমরাই প্রথম কক্সবাজার সৈকতে খোলা আকাশের নিচে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী করেছিলাম।  এবার সাজেকে প্রথমবারের মতো কোনও চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে। 

প্রদর্শনের কারণ হিসেবে এই নির্মাতা উল্লেখ করেন, ‘‘ছবিটির বেশ কিছু অংশের কাজ সাজেকে হয়েছে।  আমরা আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলাম যাদের নিয়ে ও যে অঞ্চলে ছবিটির দৃশ্যধারণ হয়েছে, সেখানে প্রদর্শন করার।  সে অনুযায়ী এটি হচ্ছে। 

আরও একটা কথা মনে রাখা দরকার, ‘হৃদয়ের রংধনু’ এমন একটি বাংলা ছবি, যেখানে আদিবাসী হিরো-হিরোইন আছে।  এর আগে বাংলা ভাষার ছবিতে একজন মারমা নায়িকা অভিনয় করেছিলেন।  কিন্তু এত ব্যাপক পরিসরে আদিবাসীরা বাংলা ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পায়নি।  তাই তাদের এলাকাতেই প্রদর্শনী করছি।  এর ফলে প্রথমবারের মতো এই এলাকায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে। 

তিনি জানান, এরপর এর প্রদর্শনী সিলেটে হবে।  এর আগে ঢাকা, সাভার, বান্দরবানসহ বেশ কিছু জায়গায় এটি দেখানো হয়েছে। 

রাজিবুল বলেন, ‘আমাদের দেশের হল ব্যবস্থাপনা ভালো নয়।  একজন স্বাধীন নির্মাতা হিসেবে আমি আমার মতো করে চলচ্চিত্র প্রদর্শন করতে চেয়েছি। 

উল্লেখ্য, মুক্তির আগে থেকেই আলোচিত ‘হৃদয়ের রংধনু’।  দুই বছর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডে আটকে থাকার পর গত ২৩ অক্টোবর ছাড়পত্র পায় এটি।  ছবিতে দেশি-বিদেশি শিল্পীরা অভিনয় করেছেন।  এদের মধ্যে আছেন মিনা পেটকোভিচ (সার্বিয়া), শামস কাদির, মুহতাসিম স্বজন, খিং সাই মং মারমা প্রমুখ। 

২০১৪ সালে ছবিটির শুটিং শুরু হয়ে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছে।  ছবিটির শুটিং হয়েছে দেশের ৫৪টি জেলায়। 


keya