১২:৫৫ এএম, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার | | ১৮ সফর ১৪৪১




শরণখোলায় ২ দিনেও মিলছেনা ১৫০ বস্তা চালের মালিক!

১৯ জুন ২০১৯, ১১:২৪ এএম | নকিব


এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের শরণখোলা থেকে ট্রাকভর্তি চাল পাঁচারের ঘটনা ঘটেছে। 

পাচার কালে দফায় দফায় জনতার বাঁধার মুখে পড়ে।  এক পর্যায়ে বিভিন্ন বাঁধার মুখে পাচারকারী চক্র ওই চাল আমড়াগাছীয়া ব্রীজের কাছে রাস্তার পার্শ্বে নামিয়ে রাখে। 

তবে ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি।  ঘটনার দিন সোমবার রাত থেকে (১৯ জুন বুধবার) ২দিন অতিবাহিত হলেও মিলছেনা  ১৫০ বস্তা চালের মালিকের। 

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে ঢাকা মেট্রো ট-১৪-৪১৫৬ নং একটি ট্রাকে প্রায় ১৫০ বস্তা চাল বোঝাই করা হয়।  এতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা ট্রাকটিকে আটকে দেয়ার চেষ্টা করে।  উপেক্ষা করে চাল বোঝাই ট্রাকটি পাচারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়।  পরে সরকারী চাল সন্দেহে ট্রাকটি উপজেলার পাঁচরাস্তার মোড় এলাকায় জনতার হাতে ধরা পড়ে। 

সাউথখালী ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার আব্দুল হাই জানান, ওই চাল কোন সরকারী চাল নয়।  পরে গভীর রাতে ট্রাকটি ধানসাগর ইউনিয়র পরিষদের সামনে আমড়াগাছীয়া এলাকার আঞ্চলিক মহাসড়কের পার্শ্বে চাল ফেলে রেখে পাচার কারীরা উধাও হয়ে যায়। 

ঘটনা প্রত্যাক্ষদর্শী ইউপি মেম্বর জাহাঙ্গীর আলম, আসাদ, ফুলমিয়া জানান, ওই চাল পাচার কৃত সরকারী চাল।  এটা কোন ব্যাবসায়ীর হতে পারেনা।  বৈধ হলে কেউ এভাবে রাতে রাস্তার পার্শ্বে রাখত না।  তারা আরো বলেন, এরতো কোন মালিক নেই।  তাড়াতাড়ি করে এখানে নামিয়ে সাবাই পালিয়েছে।  আর ট্রাকটাও কাছাকাছি রাখা আছে যাতে রাতের আধারে আবার চাল নিয়ে পালিয়ে যেতে পারে।  ট্রাক ড্রাইভার বাদল ফরাজী জানান, দেড় শতাধিক চালের বস্তা নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে তাফালবাড়ী থেকে ট্রাকটি বোঝাই করা হয়।  তবে এ বিষয়ে ট্রাকের মালিক বাচ্চু হাওলাদার ভাল বলতে পারবেন। 

ধানসাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম (টিপু) জানান, এত রাতে রাস্তার পাশ্বে চাল ফেলে রাখা রহস্য জনক।  সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন জানান, আমার পরিষদে কোন চাল নেই।  আর এমন ঘটনার ব্যাপারে আমি জানিনা। 

এ ব্যাপারে শরণখোলা অফিসার ইনর্চাজ দিলীপ কুমার সরকার জানান, জনতার হাতে আটকের পর খোঁজ খবর নিয়ে দেখি চালগুল মালিকানাধীন। 

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাস জানান, রাস্তার পার্শ্বে ফেলে রাখা চালগুলো ধানসাগর ইউপি চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম টিপু’র মাধ্যমে রাখা হয়েছে।  বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে।