৭:৩৮ এএম, ১২ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১




হস্তক্ষেপ করবে না চীন রোহিঙ্গা ইস্যুতে : থিংকট্যাংক জংজি

২৬ জুন ২০১৯, ০৪:২৬ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : রোহিঙ্গা সংকট, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপাক্ষিক বিষয়।  এই ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করবে না চীন। 

বুধবার (২৬ জুন) রাজধানীর মালিবাগে সেমিনারে এ সব কথা বলেন, চায়না ইন্সস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সহ-সভাপতি ড. রুয়ান জংজি। 

চীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই থিংকট্যাংকের দাবি, বিশেষ কোনো দেশের প্রতি দুর্বলতা নেই চীনের। 

আগামী জুলাইয়ের ১ থেকে ৪ তারিখ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীন সফর করবার কথা রয়েছে।  সেই বিষয়টি মাথাই রেখেই আয়োজন করা হয় সম-সাময়িক বিশ্বে চীনের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারের।  যেখানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের থিংকট্যাংক চায়না ইন্সস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সহ-সভাপতি ড. রুয়ান জংজি। 

ড. রুয়ান জংজি কথা বলেন, এক অঞ্চল এক পথ, চীন-যুক্তরাষ্ট্র-কোরিয়ার সর্ম্পকের টানা পোড়েনসহ আঞ্চলিক উন্নয়ন, অগ্রগতি ও চীনের স্বপ্ন নিয়ে।  স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসে রোহিঙ্গা সংকটটি।  চীনের সাবেক কূটনীতিক মনে করেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন নিরপেক্ষ অবস্থানে আছে। 

ড. রুয়ান জংজি বলেন, 'চীন সংকট সমাধানে আগ বাড়িয়ে কিছু করবে না।  আমরা হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করিনা।  কারন আমরা মনে করি বাংলাদেশ ও মিয়ানমার নিজেরাই সমাধানে সক্ষম।  আর উভয় দেশই আমাদের বন্ধু।  বিশেষ কারো প্রতি আমরা দুর্বল এই ধারনাটি সঠিক নয়। '

ড. রুয়ান জংজির মতে চীন বেল্ট ও রোড ইনিশিয়েটিভসে জন্য যে ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন তার অর্ধেক খরচ দিতে সক্ষম।  এই অঞ্চলের সকল দেশেরই তাই উচিত হবে এর গুরুত্বপূর্ণ অংশিদার হওয়। 

তিনি আরও বলেন, 'মিয়ানমার ও বাংলাদেশে উভয় দেশেই আমাদের যথেষ্ট বিনিয়োগ আছে।  আমরা স্বার্বিকভাবে এই অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কারো কাজ করছি।  গুরুত্বপূর্ণ অংশিদার হয়ে সকলের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। '

উন্নত এশিয়াই আগামী দিনের বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আন্তর্জাতিক সর্ম্পকের বিশ্লেষক। 


keya