৯:৩৪ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৭ সফর ১৪৪১




রাস্তায় ধ্বস কুড়িগ্রাম-যাত্রাপুর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

২৭ জুন ২০১৯, ০৪:৪৬ পিএম | নকিব


হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে নদী তীরবর্তি এলাকায়। 

পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ধরলার তীরবর্তি নিন্মআঞ্চলের পাট, ভুট্রা ও বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসল ডুবে গেছে। 

পানি বাড়ার  ফলে ফুলবাড়ীর বড়ভিটা, রাজারহাটের ছিনাই ও সদরের সারডোব এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র রুপ নিয়েছে।  ঝুঁকিতে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।  ফলে আতংক দেখা দিয়েছে নদী তীরবর্তি এলাকার মানুষের মাঝে। 

বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের কুড়িগ্রাম-যাত্রাপুর সড়কে শুলকুর বাজারে ধরলা নদীর তীব্র পানির তোড়ে  বিকল্প সড়ক সেতুর একাংশ ভেঙে পরায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে।  

পাঁচগাছি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন মাস্টার জানান, কুড়িগ্রাম-যাত্রাপুর সড়কের শুলকুর বাজার এলাকায় ধরলার এই শাখা পয়েন্টে নতুন ব্রীজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।  এখানে বিকল্পভাবে দুদিকে মাটি কেটে সেতুর উপর দিয়ে লোকজন ও যানবাহন চলাচল করছিল।  বৃহস্পতিবার ভোরে বিকল্প সড়কের সেতুর দুদিকে ধরলা নদীর তীব্র  স্রেতে   ভেঙে পরায় শতশত মানুষ এখন ভোগান্তিতে পরবে।  এই সড়ক দিয়ে পাঁচগাছি, যাত্রাপুর, ঘোগাদহ, বেগমগঞ্জ ও সাহেবের আলগার বিভিন্ন চরের মানুষ চলাচল করে।  সড়ক বিচ্ছিন্ন হওয়ায় যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।  আপাতত মানুষ নৌকায় পারাপার করছে। 

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমীন জানান, বুধবার বিকেলে খবর পেয়ে সেখানে পরির্দশন করতে যাই।  তখন পর্যন্ত বিকল্প পথটি চলাচল উপযোগী ছিল।  এখন সরজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।  

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে,  গত ২৪ ঘন্টায় ধরলা ব্রীজ সংলগ্ন পয়েন্টে ৩৭  সে. মি. পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।  এখন পর্যন্ত ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার শূন্য দশমিক ৭৪ সেন্টিমিটার, তিস্তা নদী ১ দশমিক ৫ সেন্টিমিটার,  ব্রহ্মপূত্র নদে নুনখাওয়া পয়েন্টে ১ দশমিক ৬৫ সেন্টিমিটার  এবং চিলমারী পয়েন্টে ১ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।