৮:৪১ এএম, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৭ মুহররম ১৪৪১




ভারি বর্ষণে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নগরবাসী।

০৮ জুলাই ২০১৯, ১১:৪০ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : অব্যাহত ভারি বর্ষণে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নগরবাসী।  বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, অভিভাবক, চাকরিজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। 

যানবাহন চালকরা গাড়ি বের না করায় দেখা দিয়েছে গণপরিবহন সংকট।  ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে জবুথবু মানুষগুলো গাড়িতে উঠতে পারছে না। 

 পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ প্রদীপ কান্তি নাথ  জানান, সোমবার (৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ৭৮ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।  সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। 

এদিকে ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের শঙ্কায় জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূ্র্ণ পাহাড়ের পাদদেশ থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিচ্ছে।  রেড ক্রিসেন্ট নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করেছে।  মেডিকেল টিম গঠন করেছে জেলা সিভিল সার্জন অফিস। 

ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের (ডব্লিউটিসি) নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশীদ জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে (বঙ্গোপসাগর) বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে খাদ্যশস্যসহ বৃষ্টিতে ভিজলে নষ্ট হয় এমন খোলা পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে।  তবে পাথর জাতীয় কিছু পণ্য দু-চারটি লাইটার জাহাজে খালাস হচ্ছে।  বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল থাকলে বিদেশি জাহাজের পাইলটরা লাইটারিং বন্ধ করে দেন। 

বন্দরের পরিবহন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এনসিটি, সিসিটি ও জিসিবি বার্থের জাহাজে কনটেইনার হ্যান্ডলিং স্বাভাবিক রয়েছে। 

চসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন বলেন, পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক, ষোলশহর ২ নম্বর গেট, মুরাদপুর, অক্সিজেন, এক্সেস রোডসহ নগরের নিম্নাঞ্চলে পানি জমে যাওয়ার খবর পেয়েছি।  সরেজমিন দেখার জন্য আমি এক্সেস রোডের দিকে যাচ্ছি। 

তিনি বলেন, বৃষ্টির পানি যদি জোয়ারের কারণে কর্ণফুলী নদীতে নামতে না পারে তবে দুর্ভোগ বাড়বে। 


keya