১২:৫৪ পিএম, ২৫ আগস্ট ২০১৯, রোববার | | ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরোও অবনতি নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

১৫ জুলাই ২০১৯, ০৬:১০ পিএম | নকিব


রেজাউল ইসলাম, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা)  প্রতিনিধি :  গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরোও মারাত্মক অবনতি হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।  

কয়েক দিন থেকে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তিস্তা,  ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। 

এলাকাগুলো হচ্ছে হরিপুর, কাপাশিয়া, শ্রীপুর, চন্ডিপুর, তারাপুর, বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা, জিগাবাড়ী, ছয়ঘরিয়া কাজিয়ারচর, বাদামেরচর, রাজারচর, নবাবগঞ্জসহ লোকালয়গুলোতে পানি প্রবেশ করায় বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মাক অবনতি দেখা দিয়েছে।  সরকারি ভাবে পানিবন্দি মানুষ পরিবার পরিজন, গবাদিপশু নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বেরি বাঁধ ও উঁচু স্থানসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। 

আশ্রীতদের মাঝে দেখা দিয়েছে বিষদ্ধ পানি স্যানিটেশন ব্যবস্থা ও খাদ্য সংকট।  সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ মাঝে একশত মেট্রিকটন চাল ও নগদ ৫০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রেজা-ই মাহমুদ জানান, এ পর্যন্ত কৃষিখাতে ক্ষতি হয়েছে ১০৯ হেক্টর আমণ বীজতলা, আউষ ১২০ হেক্টর, শাকসবজি ৮৯ হেক্টর, পাট ১০ হেক্টর। 

উপজেলা মৎস্য অফিস সুত্র জানায়, এ পর্যন্ত সরকারি বে সরকারি ২০ টি পুকুর ও জলাশয়ের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে।  পাউবো’র এসডি সেলিম হোসেন জানান, হুমকির মুখে পড়া বন্যা নিয়ন্ত্রন বেরি বাঁধটির ভাঙ্গন ঠেকাতে তৎপরতা অব্যাহত আছে।  তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ২৪ সে.মি ও ব্রহ্মপুত্রের নদ নদীর পানি ৩০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, পানিবন্দি মানুষের জন্য আরোও এক শত মেট্টিকটন চাল ও পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ চেয়ে উপরে জানানো হয়েছে।