৮:৩৬ এএম, ২৫ আগস্ট ২০১৯, রোববার | | ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে পরিবর্তন আসছে গুরুত্বপূর্ণ মিশনে

১৭ জুলাই ২০১৯, ১০:১৫ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিদেশি মিশনে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।  মিশনগুলো হচ্ছে বেইজিং, ব্রাসেলস, টোকিও এবং নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ স্থায়ী কার্যালয়। 

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত মাসুদ বিন মোমেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একজন সচিব হিসাবে ফেরত আসবেন এবং টোকিওর রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা তার স্থলাভিষিক্ত হবেন।  উল্লেখ্য, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র সচিব ছাড়াও আরও ১২ জন সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা আছেন। 

তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বেইজিংয়ে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম ফজলুল করিমকে দেশে ফিরিয়ে এনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সচিব (দ্বিপক্ষীয়) মাহবুব-উজ-জামানকে সেখানে পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। 

অন্যদিকে, ব্রাসেলসে বর্তমান রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ শাহাদাত হোসেনকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে সরকারের এবং তার স্থলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেক সচিব (দ্বিপক্ষীয়) কামরুল আহসানকে পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় আছে সরকারের বলেও জানান মন্ত্রণালয়ের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। 

এছাড়া ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মাদ জিয়াউদ্দিনের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার।  ২০১৪ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত ওই রাষ্ট্রদূতের মেয়াদ এ বছরের শেষের দিকে শেষ হয়ে যাবে। 

মাসুদ বিন মোমেন ২০০৮ সাল থেকে বিদেশে কর্মরত আছেন এবং ফজলুল করিম ও শাহাদাত হোসেন ২০০৬ থেকে বিদেশে পদায়নরত অবস্থায় আছেন। 

যারা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে কর্মরত আছেন তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ওই রাষ্ট্রদূতদের ফিরিয়ে আনা হবে। 

উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গত জুনে বলেছিলেন সেপ্টেম্বরের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে বড় ধরনের রদবদল হবে। 

তিনি ওই সময়ে সাংবাদিকদের তার দফতরে বলেন, ’ আমি আসার পরে বড় ধরনের কোনও পরিবর্তন করি নাই।  আগামীতে আমরা পরিবর্তন করবো।  কারণ, অনেকের অনেক বছর হয়ে গেছে। ’

উল্লেখ্য জানুয়ারি মাসে দায়িত্ব নিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 

তিনি তখন আরও বলেন, ’আগামীতে আমরা পরিবর্তনের ইচ্ছা রাখি এবং এগুলো আমাদের করতে হবে সেপ্টেম্বরের আগে।  কারণ, ওই সময়ে স্কুল শুরু হয়।  যারা নতুন জায়গায় যাবেন তাদের বাচ্চাদের যেন পড়াশোনার কোনো বিঘ্ন না হয়। ’

তিনি জানান, ‘আমাদের সরকারের একটি আইন হচ্ছে তিন বছর কোথায় থাকলে পরে তাকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়। ’


keya