৪:২৯ এএম, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




জামালপুর সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসার অবহেলার অভিযোগ, একজনের মৃত্যু

৩১ জুলাই ২০১৯, ১০:২৩ এএম | নকিব


তানভীর আহমেদ হীরা, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুর শহরে সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসার অবহেলায়  তিন সন্তানের জননীর মৃত্যুর অভিযোগ  উঠেছে। 

এ ঘটনায় হাসপাতালে  ডা: খাজা মাসুম কবিরকে মারধর করে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটব ভাংচুর করেছে ক্ষ্ােধ নিহতের স্বজনরা, পরে হাসপাতালের পরিচালক মোফাজ্জল হোসেন ও ডাক্তার নওসিনকে গভীর রাত পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে রাখেন। 

অন্য কর্মচারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় , খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিবেশ নিয়ন্ত্রন আনে। 

জানাগেছে,জামালপুর শহরের শাহপুর তালতলা এলাকার রুয়েল খানের স্ত্রী মাকসুদা আক্তার (৩৫) গত শুক্রবার রাতে জরায়ু অপারেশনের জন্য জামালপুর সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার জন্য ভর্তি হয় ,সেই দিন রাতেই  গাইনী বিশেজ্ঞ ডাঃ মোশাহিদা আন নুর রেনু নিহত মাকসুদা আক্তার কে জরায়ু অপারেশন করে চলে যায় । 

তার পর থেকেই  রোগী তীব্র ব্যাথার যন্ত্রনায় ভোগ ছিল।  সে সময় তার পাশে কোন চিবিৎসককে পাওয়া যায়নি , এব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর স্বজনদেন কিছু না জানিয়ে তিন দিন এভাবেই রেখে চিকিৎসা করে আসছিল বলে জানান স্বজনরা । 

গত মঙ্গলবার রাতে নিহত মাকছুদা আক্তার অশঙ্কাজনক অবস্থা হলে ডিউটিরত ডা: নওসিন প্রথমে দেখে ব্যর্থ হলে পরে সার্জারী বিশেজ্ঞ ডা: খাজা মাসুম কবির তার চেষ্টাও র্ব্যথ হয়।  ততক্ষনে মৃত্যুর কোলে ডুলে পরেন তিন সন্তানের জননী মাকছুদা আক্তার।  সোমবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি মৃত্যু বরন করেন।  এঘটনায় রাতেই পুলিশ হাসপাতালে এসে উপস্থিত জনতা ও স্বজনদের শান্ত থাকার অনুরোধ করেন । 

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: নওসিন জানান, অ্যানেসথেসিয়ার কারনে রোগী  অনেক সময় বমি করে থাকে ,তার প্রচন্ড মাথা ব্যথা বমি হচ্ছিল  হঠাৎ শ্বাস নালীতে বমি আটকে থাকার কারণে তিনি মারা যেতে পারে বলে ধারনা করছে তিনি । 

নিহতের স্বামী রুয়েল খানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, পরিবারের সবার সাথে কথা বলে আইনী প্রক্রিয়ায় যাবে ।  

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালেমুজ্জামান জানান, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে   এখন পর্যন্ত কেউ আসেনি, এব্যাপারে থানায় কোন মামলা হয়নি।  তবে তারা মামলা করলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিবো ।