৪:৫৮ এএম, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




রাউজানে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোন রোগী ভর্তি নেইঃ অপরিচ্ছন্নতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স!

০১ আগস্ট ২০১৯, ০৫:৩৮ পিএম | নকিব


প্রদীপ শীল, রাউজান প্রতিনিধি :  রাউজানে কোন ডেঙ্গু রোগী নেই।  রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোন রোগী ভর্তি নেই। 

জ্বরপীড়িতা নিয়ে হাসপালে আসা রোগীর মধ্যে ৫ জনের ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হয়েছে। 

এসব রোগীর শরীরে কোন সংক্রামন পাওয়া যায়নি।  যারা জ্বর নিয়ে হাসপাতালে এসেছে তারা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত রোগী।   ০১ আগষ্ট রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ  মনোয়ার হোসেন চৌধুরী সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়। 

তবে হাসপালের নালা-নর্দামায় বৃষ্টির পানি জমে মশার উৎপাত বৃদ্ধির কারণে রোগীর মধ্যে এক প্রকার আতংক লক্ষ্য করা গেছে।  এছাড়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সামনে সেইফটি টাংঙ্গি থেকে মল নির্গত হওয়ায় দিনদিন হাসপাতালে ছড়িয়ে পড়ছে বায়ু দূষণ।  দুষিত মলের গন্ধে অতিষ্ঠ কয়েকজন ডাক্তার পরিত্রাণ চাই। 

তারা বলেছেন একদিকে নালাতে জমে থাকা পানি ও কাদায় সয়লাব।  এ ব্যাপার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, নালায় জমে থাকা পানিতে ডেঙ্গু মশার বিস্তার করে না।  তিনি বলেন, রাস্তা উচু হওয়ায় হাসপাতালে পানি জমে থাকে।  এছাড়া পানি নিস্কাসন সুবিধা অতীতে কয়েকটি পথে হয়ে বাহির হতো।  সড়ক উচু ও কয়েকটি জাগায় বহুতল ভবন নির্মিত হওয়ায় পানি চলাচল করে মাত্র একটি পথ দিয়ে।  যার কারণ পানি জমে থাকে।  তিনি জানান, রাউজানে সাংসদ হাসপাতালের সমস্যার ব্যাপারে অবগত।  তিনি ইতিমধ্যে মন্ত্রনালয়ে মেগা প্রকল্পের হিসাবে বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন। 

আগামী অর্থ বছরে এ মেগা প্রকল্প বরাদ্দ করবে মন্ত্রনালয়।  হাসপাতালে জনবল সংকটের কথা জানিয়ে বলেন সুইপার ৫জনের পদ থাকলেও আছে মাত্র ১ জন।   এত বড় হাসপাতালে একজন দিয়ে পরিস্কার সম্ভব হয় না। 

তিনি জানান, নার্স ২০ জনের মধ্যে ১৮জন কর্মরত।  ওয়ার্ড বয় ৩ জনের মধ্যে ২জন।  আয়া২জনের মধ্যে আছে ১জন। কুক ২জনের মধ্যে একজনও নেই।  পদ থাকলেও মালি নেই।  সুলতানপুর ৩১শর্ষ্যা হাসপাতালে ৪জন ডাক্তারের মধ্যে আছে ৩জন।  নেই কোন সুইপার-আয়া।  সব মিলিয়ে রাউজানে ২৮জন ডাক্তারের পদ রয়েছে।  তৎমধ্যে ৬জন নেই।  মাতৃত্ব ছুটিতে রয়েছে তিনজন।  বিনা অনুমতিতে উনুপস্থিত ১জন ডাক্তার। 

জানাগেছে সাত মাস ধরে নেই এই ডাক্তার।  তার নাম ডাঃ মুসলিমা আক্তার।  যার কারণে স্টাব দিয়ে চলছে নোয়াজিষপুর ইউনিয়ন হাসপাতাল।  জানা গেছে বৃহস্পতিবার সকাল ১২টা পর্যন্ত  হাসপাতালে রোগি ভর্তি ছিল ৩৬জন।