৫:৪৩ পিএম, ১২ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১




সংবাদ প্রকাশের পর জেলা শিক্ষা অফিসের তদন্ত দল শ্রীপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে

০৬ আগস্ট ২০১৯, ০১:৪৭ পিএম | নকিব


আলফাজ সরকার আকাশ. শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ অবশেষে গাজীপুর জেলা শিক্ষা অফিসের একটি তদন্ত দল শ্রীপুর সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। 

এসময় তারা প্রধান শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের নানা বিষয় সম্পর্কে  জানতে চান। 

এর আগে স্কুলের মিটার থেকে প্রধান শিক্ষকের শ্বশুরের দোকানে দেয়া বিদ্যুৎ সংযোগ  বিচ্ছিন্ন করে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২।  

৫ আগস্ট  সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত স্কুলের বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ খবর নেন তদন্ত কমিটির প্রধান সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ জুবায়ের ছাঈদ। 

এসময় তিনি জানান, স্কুলের মূল ফটকের সামনে প্রধান শিক্ষকের শ্বশুরের দোকান সম্পর্কে  সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত লেখাগুলোর আলোকে বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হয়েছে।  সকল বিষয়ে  আরো বিস্তারিত জানার পর প্রতিবেদন পেশ করা হবে।  

গাজীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শ্বশুরের দোকান থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের বই,খাতা-কলমসহ সব কিছু কিনতে বাধ্য করার প্রমান পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।  এছাড়াও  দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মিটার দিয়ে মার্কেটে বিদ্যুৎ সরবরাহ আইন পরিপন্থি।  তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে বলেও জানান তিনি 

এদিকে গত ২০ জুলাই শনিবার দুপুরে স্কুলের মিটার থেকে বাহিরের দোকানে  দেয়া সকল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর শ্রীপুর জোনাল অফিস। 

এ বিষয়ে ওই অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির জানান, দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মিটার থেকে বাহিরের দোকানে সংযোগ দেয়ায় সকল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।  পরে তারা  বানিজ্যিক মিটারের আবেদন করলে নতুন মিটার স্থাপন করে ফের সংযোগ দেয়া হয়েছে। 

শ্রীপুর সরকারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুল হাছান মন্ডল জানান, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার এসে স্কুল পরিদর্শন করেছেন।  যে তথ্য গুলো জানতে চেয়েছেন সেগুলো  দেয়া হয়েছে।  বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,  নতুন সংযোগের জন্য আবেদন করার পর মিটারের মাধ্যমে সংযোগ পুনরায় দেয়া হয়েছে ।  এতোদিন স্কুলের মিটার দিয়ে দোকানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ায় সরকারের রাজস্ব ফাকি হয়েছে কিনা- এমন  বিষয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি তিনি।  

উল্লেখ্য, স্কুল মার্কেটে প্রধান শিক্ষকের শ্বশুরের দোকানসহ সকল দোকানে দাতব্য প্রাতিষ্ঠানিক মিটার দিয়ে বিদ্যুৎ চলছিলো।  কিন্তু প্রত্যেক দোকান থেকে মাসে ২০০টাকা করে তোলা হতো।  আর বিল দেয়া হতো স্কুলের মিটারের।  এ নিয়ে গত ১৮ জুলাই  অনলাইন ভার্ষনে" শ্রীপুরে প্রধান শিক্ষকের শ্বশুরের দোকান বলে কথা! - শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।