১০:৫২ এএম, ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




লালমনিরহাটে পশুর হাটে উপচে পড়া ভিড়, নেই ভারতীয় গরু

০৬ আগস্ট ২০১৯, ০৪:৩৬ পিএম | নকিব


আজিজুল ইসলাম বারী,লমনিরহাট প্রতিনিধিঃ দিন যতই ঘনিয়ে আসছে লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার কোরবানির পশুরহাট গুলো তথই জমে উঠেছে। 

অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভারতীয় পশুর আমদানী নেই।  তাই পশুর দাম একটু বেশি বলে ক্রেতাদের ধারনা।  

সরেজমিনে জেলার হাতীবান্ধা, বড়খাতা ও দইখাওয়া প্রধান ৩টি পশুর হাট ঘুরে জানা গেছে, পশু আমদানী কম, দাম বেশি হলেও ক্রেতাদের ভীড়ে জমে উঠেছে পশুর হাট।  অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে ভারতীয় পশুর আমদানী নেই।  উপজেলার সর্বত্র হাটে দেশি পশু (গরু, ছাগল) আমদানী হচ্ছে।  চোঁখে পরেনি কোন ভারতীয় গরু।  ক্রেতাদের ধারনা হাতীবান্ধা উপজেলার কোন সীমান্ত দিয়ে এবারে ভারতীয় গরু চোরাচালনে আসছে না, তাই গরুর দাম একটু বেশি।  

খামারিরা বলছেন, ভারতীয় গরু না আসলে এ বছর তারা ভালো দাম পাবেন।  তবে ঈদকে ঘিরে গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।  দাম কিছুটা বেশি হলেও দেশি গরু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।  স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তদারকি থাকায় এবার পুষ্টিমান সম্পন্ন পশু পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের। 

গরু খামারি তছির উদ্দিন বলেন, গত বছর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু পাচার হয়ে আশায় আমরা গরু খামারীরা লাখ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।  এবারে গরুর দাম একটু বেশি হওয়ার কারনে গত বছরের ক্ষতি এবারে পুষিয়ে নিতে পারবো বলে আশা করছি।   

হাতীবান্ধা সদরহাটে ক্রেতা আবুল হোসেন ও হাসমত আলীর সাথে কথা বলে জানাগেছে, এবারে শুধুমাত্র দেশী পশু আমদানী হচ্ছে।  এজন্য ক্রেতাদের অনেকেরই পছন্দ মতো পশু মিলছে না এবং গত বছরের তুলনায় দামেও বেশি।  অপর দিকে এখনও সময় আছে কোরবানীর পশু কেনার তাই ক্রেতারা শুধু পছন্দমত পশুর খোঁজ খবর রাখছে।  

এসময় গরু ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক ও নজরুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য বছরে দেশী বিদেশী পশু আমদানী হওয়ায় ক্রেতাগণ নিজেদের পছন্দনীয় পশু ক্রয়ে কোন রুপ অনিহা প্রকাশ করেনি।  কিন্তু এবার ভিন্ন , দেশীয় পশু পরিমাপে ছোট এবং দামেও বেশী এ কারনে ক্রেতাদের ভীড় জমে উঠলেও ক্রয়-বিক্রয় খুবই কম হচ্ছে।  কোরবানী করার ইচ্ছা সামর্থ থাকলেও অনেকেই পশু দেখে মুখ ফিরে নিচ্ছে।  তাদের ধারনা এখনও পশু কেনার  সময় আছে।  আমদানী বাড়লে এলাকার ৭০ ভাগ মানুষ কোরবানী করতে পারে বলে আশা করছি।