২:০৩ এএম, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার | | ১৮ মুহররম ১৪৪১




প্রধানমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা

মোরেলগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে একটি পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন

১৮ আগস্ট ২০১৯, ১২:২৭ পিএম | নকিব


এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি :বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে একটি পরিবারকে বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা করছে একটি প্রভাবশালী মহল। 

বিভিন্ন মামলা হামলা করে নানাভাবে হয়রানির করছে ওই পরিবারটিকে।  বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছেন ক্ষতিগ্রস্ত নিরঞ্জন বেপারির পরিবার।  

রোববার সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামে মৃত দেবেন্দ্র নাথের পুত্র নিরঞ্জন বেপারীর পরিবার বৃদ্ধ মাতা উর্মিলা রানী (৭৫) সহ ৪ ভাইয়ের পরিবার পরিজন নিয়ে পিতার ভিটেমাটিতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছেন।  বসতবাড়িটির পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ২২ শতক।  

তার কাকা মৃত. হরেন্দ্রনাথ বেপারীর পুত্র সুনিল বেপারীর কাছ থেকে ২০০০ সালে কবলাসূত্রে ক্রয়কৃত ২২ শতক জমি এ নিয়ে ৪৪ শতক জমিতে বসবাস করছেন তারা।  কিন্তু চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে ক্রয় কৃত জমি কাল হয়ে দাড়িয়েছে।  ললুপ দৃষ্টি পড়েছে ওই জমিতে প্রতিপক্ষের।  

একই গ্রামের প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী চাচাতো ভাই শেখর ইন্দু বিশ্বাস, লিটন বিশ্বাস সহ তার ভাইয়েরা একটি দানপত্র দলিলের দাবি করে নিরঞ্জন বেপারির বসতবাড়ির একটি অংশ ২০১৫ সালে জোরপূর্বক দখলে নিয়ে পাকা ইমারাত তৈরি করে।   প্রতিপক্ষ শেখর ইন্দু বিশ্বাস এতেও ক্ষ্যান্ত না হয়ে পুর্নরায় নিরাঞ্জনের পৈত্রিক ওয়ারিশ সম্পত্তির ২ একর ৩৮. শতক বিলীন জমিতে ২০১২ সালে বেদখল করে নেয়।  এ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী শরণখোলার উপজেলার বহিরাগত লোক দিয়ে বিভিন্ন মামলা হামলা দিয়ে একের পর এক নিরঞ্জন সহ তার ভাইকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত নিরঞ্জন ও তার পরিবার জানান। 

বৃদ্ধ উর্মিলা রানী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, কোথায় গেলে বিচার পাবো।  ন্যায় বিচারের জন্য বিভিন্ন লোকের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি।  অসহায় মানুষের পাশে সঠিক কথাটি বলার কি কোন লোক নেই?।  বর্তমানে এ পরিবারটি আতংকে রয়েছে।  আবারও কখন খবর আসবে হয়রানিমূলক মামলায় আসামী হয়েছে তার ছেলেরা বলে বৃদ্ধ মাতা জানান।  এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত নিরঞ্জনের পরিবার প্রভাবশালীদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। 

এ ব্যাপারে শেখর ইন্দু বিশ্বাস জানান, তারা কোন জমি দখল করেননি।  তাদের ক্রয়কৃত জমি ও পৈত্রিক সম্পত্তিতে পূর্ব থেকেই বসবাস করছেন তারা।  আগে ছিলো কাঠের ঘর।  সে ঘর ভেঙ্গে পাকা ভবন করা হয়েছে।  আমরা কাউকে মামলা দিয়ে হয়রানি করছিনা।  এ অভিযোগ সঠিক নয়। 


keya