৮:০১ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার | | ২২ সফর ১৪৪১




মেট্রোরেলের নিরাপত্তায় বিশেষ পুলিশ ইউনিট গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৬:২৯ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম: মেট্রোরেলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পৃথক বিশেষ পুলিশ ইউনিট গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

সোমবার সকালে (১৬ সেপ্টেম্বর) গণভবনে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটির) অগ্রগতির ওপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানির (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে ‘ঢাকা মহানগরী ও এর আশপাশের এলাকায় এমআরটি লাইন নির্মাণের জন্য টাইম বাউন্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০৩০’ এর বাস্তবায়নের সার্বিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। 

পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তিনি ৬ লাইন এমআরটির পাশাপাশি ১, ২, ৩, ৪, ৫ লাইন এমআরটির অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।  দেশে এ প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।  জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সহযোগিতায় রাষ্ট্র মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ডিএমটিসিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। 

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই মেগা প্রকল্পের দ্রুত ও যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কিছু নির্দেশনা দেন। 

ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন সিদ্দিক বলেন, মেট্রোরেল নির্মাণকাজের সার্বিক গড় অগ্রগতি ৩০.০৫ শতাংশ।  প্রকল্পের প্রথমপর্যায়ে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে কাজের অগ্রগতি ৪৬ শতাংশ।  এছাড়া দ্বিতীয় পর্যায়ে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অংশে কাজের অগ্রগতি ২৩.৫০ শতাংশ এবং ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল সিস্টেম ও রোলিং স্টক (রেলকোচ) ও ডিপো ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ কাজের সমন্বিত অগ্রগতি ১৯.৮৭ শতাংশ। 

ঢাকার যানজট নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে মেট্রোরেলের পরিকল্পনা, সার্ভে, ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২০১৩ সালের ৩ জুন ডিএমটিসিএল গঠন করা হয়।  এর ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালের মধ্যে ছয়টি মেট্রোরেলের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয় সরকার।  এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে এমআরটি-৬ এ উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ। 

এর আগে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন, প্রথমপর্যায়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় ধরা হয়েছিল।  তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পরে তা এগিয়ে আনা হয়। 

আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান, সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আখতার হোসেন ভূঁইয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।