৫:২১ এএম, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রোববার | | ২০ সফর ১৪৪১




ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা অন্তর্ভুক্তিতে জড়িত ইসি'র ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:৫৯ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম: রোহিঙ্গাদের ভোটার করা কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া-এসব অপকর্মের সাথে জড়িতদের বেশিরভাগই নির্বাচন কমিশনে আউট সোর্সিংয়ে কাজ করা টেকনিক্যাল এক্সপার্ট আর ডাটা এন্ট্রি অপারেটর। 

যাদের হাতে গোপন পাসওয়ার্ডসহ অনেক তথ্যই দিয়েছিলেন কমিশনের কর্মকর্তারা।  দুদকের অনুসন্ধান আর পুলিশের তদন্তে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। 

এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে অস্থায়ী কর্মচারিদের কাজে না লাগানোর কথা বলছে নির্বাচন কমিশন। 

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির মূল কাজটি করে ডাটা টেকনিক্যাল এক্সপার্ট আর এন্ট্রি অপারেটররা।  গুরুত্বপূর্ণ এ কাজটি হয়ে আসছে আউট সোর্সিং বা বাইরে থেকে নেয়া এসব ব্যক্তির মাধ্যমে। 

সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের ভোটার করা এবং এনআইডি কার্ড দেয়ার ঘটনায় যে কজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগই অস্থায়ী কর্মচারি।  তদন্তে মিলেছে, নির্বাচন কর্মকর্তারা নিজেদের ইউজার আইডি, পাসওয়ার্ড আর মডেম এসব অস্থায়ী কর্মচারিকে দিয়ে রাখেন।  যার সুযোগ নিয়েছে তারা।  বিনিময়ে সুবিধা নিয়েছেন কর্মকর্তারা।       

সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, অপরাধীরা সব সময়ই অপরাধ সংগঠিত করার

কৌশল খুঁজতে থাকে।  সেক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের ভোটার করার ব্যাপারে কিছু লোক এই অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে।  তবে ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। 

এদিকে, রোহিঙ্গাদের ভোটার করা কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া সম্পর্কে চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুদকের উপপরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম বলেন, পাসওয়ার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।  নিজের পাসওয়ার্ড নিজেকেই ব্যবহার করার উপর মত তার। 

নির্বাচন কমিশনার ব্রি. জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০১৪ সাল থেকে গেল ৫ বছর ধরে জালিয়াতির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভোটার করা হলেও কোন তৎপরতা ছিলনা নির্বাচন কমিশনের।  তবে এখন থেকে সার্ভারের সুরক্ষা বাড়ানোর পাশাপাশি অস্থায়ী কর্মচারিদের কাজে না লাগানোর কথা জানান নির্বাচন কমিশনার শাহাদাৎ হোসেন।   

বৃহত্তর চট্টগ্রামের ৫ জেলার ৫৫ উপজেলায় প্রায় ১শ ১০ জন টেকনিক্যাল এক্সপার্ট আর ডাটা এন্ট্রি অপারেটর কাজ করে।  আর ঢাকাসহ সারাদেশে কর্মরত প্রায় ১১শ।