১:৩৬ পিএম, ২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার | | ২১ সফর ১৪৪১




শ্রীপুরে ট্রান্সপোর্টের ২ প্রতারকসহ ৯লাখ টাকার মুরগীর খাদ্য উদ্ধার!

২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:৩০ এএম | নকিব


আলফাজ সরকার আকাশ শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে ৯ লাখ টাকা মূল্যের প্রায় ১৪ টন মুরগীর বয়লার ফিটসহ ট্রান্সপোর্ট প্রতারক চক্রের ২ সদস্যকে আটক করেছে থানা পুলিশ।  

আটককৃত ট্রাক চালক মোস্তফা কামাল (৩২) বগুড়া জেলার শেরপুর থানার খন্দকারপাড়া গ্রামের আজগর আলীর ছেলে, অপরজন পল্ট্রির খাদ্য ব্যবসায়ী  আঃ রহমান (৪৫) বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার খরকোনা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে।  

২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেলে  এমন তথ্য জানান শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এস আই) শহীদুল ইসলাম মোল্লা বিপিএম।  

এ বিষয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের মৃত আঃ কাদেরের ছেলে সিরাজুল হক বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। 

মামলায় উল্লেখ করা হয়, বগুড়া জেলার সাগর ওরফে মোস্তফা কামাল (৩২) শ্রীপুরের মাওনা এলাকার ট্রাক চালক।  গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেট্রো ট-১৮-৫৫৪৬ নাম্বারের একটি ট্রাকে ভালুকা মল্লিকবাড়ী মোড় থেকে "প্রভিটা ফিট মিলস্ " নামক কারখানা হতে ১৫ টন মুরগীর খাদ্য বগুড়ার বনানী এলাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।  পরের দিন রাত ১টার সময় ওই খাদ্য ট্রাকে ভরে নির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয় সাগর।  কিন্ত এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৩১৫৮৭৫৪২২ টি বন্ধ পাওয়া যায়।  

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এস আই) শহীদুল ইসলাম মোল্লা বিপিএম জানান,বাদীর দেয়া মামলার সুত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বগুড়া, আশুলিয়া ও শেরপুর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।  অভিযানের একপর্যায়ে ওই ট্রাকের ড্রাইভার সাগর ওরফে মোস্তফা কামালকে আশুলিয়ার কাটগড়া এলাকা হতে আটক করি।  তার দেয়া তথ্যে জানা যায় যে, খাদ্য গুলো নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে না দিয়ে পথিমধ্যে খাদ্যের ৩০০ বস্তার ধরন পাল্টিয়ে অনত্র বিক্রি করে দেয়া হয়।  এমন তথ্যের  ভিত্তিতে বগুড়া জেলার শিবপুর থানার খরপুড়া গ্রামের রিয়া এন্ড মোমিন ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী  আঃ রহমানের বাড়ীর নিচ তলা থেকে সাড়ে ১৩ টন (২৭০ বস্তা) মুরগীর খাদ্য উদ্ধার করা হয়।  খাদ্য গুলো ৫ লাখ টাকায় বাকিতে কেনা হয়েছে বলে ওই ব্যবসায়ী জানান।  এসময় আঃ রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।  

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পিপিএম বার জানান, তথ্য প্রযুক্তির যুগে অপরাধ করে পুলিশের হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব নয়।  এ ঘটনার সাথে জড়িত সকল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।