১:১৫ পিএম, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার | | ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১




নতুন বাড়ি পেয়ে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে মহেশখালীর স্বামীহারা জাকিয়া বেগমের

২১ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০৬ পিএম | নকিব


সরওয়ার কামাল, মহেশখালী প্রতিনিধি :গ্রামমীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ(টিআর)কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিকা) কমসূচির বিশেষ বরাদ্দের অথ দিয়ে তৈরী গৃহহীন মানুষের জন্য দেয়া একটি নতুন বাড়ী পেয়ে স্বপ্ন পূরণ হয়েছে মহেশখালী

উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের জাগিরাঘোনা গ্রামের স্বামীহারা জকিয়া বেগমের।  তিনি ২ কন্যা সন্তানের মা। 

বিগত ৫ বছর পূর্বে তাকে তালাক দেন তার স্বামী সফিউল ইসলাম।  এর পর থেকে অভাব , অনঠনে মানুষের বাসায় কাজ করে তার সাংসার চালিয়ে কোন রকমে দুই কন্যা সন্তানকে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে।  তবে নিজের  মাথা গুজার ঠাই ছিলোনা একটুও ।  বাপের বাড়িতে থাকা যে ঘরে তিনি ছিলেন সেই ঘরটি ছনের খড় ও ঝরাজিন্ন বাশেঁর বেড়া দিয়ে কোন রকমের দিন যাপন করেছিল। 

একটি ঘরের কারনে তাদের বহু দিনের স্বপ্ন ছিলো অবশেষে সেই স্বপ্নের ঠিকানা খুঁজে দিলেন স্বানীয় সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক।  মাননীয়  প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া একটি ঘরের মালিক জাকিয়া বেগম।  নতুন বাড়ি পাওয়া জাকিয়া বেগম জানান, জীবনে ও ভাবিনি আমি দালান কোঠার ঘর পাবো আমার মেয়েদের পড়ালেখা করার জন্য সুরক্ষিত একটি রুম পাবো।  আজ প্রধানমন্ত্রীর কল্যানে আমি আমার স্বপ্ন পুরণ করতে পেরেছি।  তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আমার এলাকার এমপি আশেক উল্লাহ রফিককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। 

জানা গেছে, মহেশখালী উপজেলায় ১৭জন দরিদ্রদের মাঝে এই রকম দূর্যোগ সহনীয় বাড়ি প্রদান করা হয়েছে।  ঘরের নামফলকে লেখা থাকবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান/টিআর-কাবিকা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। 

সুত্রেজানা গেছে ,আগামী পাঁচ বছরে টিআর ও কাবিকার বিশেষ বরাদ্দের তিন হাজার কোটি টাকা দিয়ে দরিদ্রদের এক লাখ ২৫ হাজার নতুন ঘর তৈরি করে দেবে সরকার।  কোন কোন শর্তে ঘর দেয়া হবে সে জন্য একটি নির্দেশিকাও করেছে মন্ত্রণালয়।  মহেশখালী উপজেলায় ৪৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৭টি ঘর দেয়া হচ্ছে পর্যায়ক্রমে আরো দেয়া হবে প্রতিটি ইউনিয়নের হত দরিদ্রদের মাঝে। 

মহেশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৫০০ বর্গফুটের প্রতিটি ঘরে থাকবে দুটি কক্ষ, একটি করিডোর, একটি বাথরুম ও একটি রান্নাঘর।  দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হবে টেকসই এবং প্রতিটি ঘরেই থাকবে সোলার সিস্টেম আর বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা।  প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। 

মহেশখালী কুতুবদিয়ার সাংসদ আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার মানে দরিদ্র মানুষের উন্নয়ন।  দেশে কেউ গৃহহীন থাকবেনা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষনা অনুযায়ি প্রতিটি গৃহহীনকে মানুষকে খুঁজে বের করে তাদের বাস স্থানের ব্যবস্থা করা হবে। 

আমার উপজেলায় প্রথম দাপে ১৭টি এবং ২য় দাপে আরো ৩০টি ঘর দেয়া হবে।