৪:৩৩ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার | | ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১




আমদানিকারকদের আস্থা সঙ্কটে কাটছে না পেঁয়াজের অস্থিরতা

৩০ অক্টোবর ২০১৯, ০৯:৫০ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম: আমদানিকারকদের মধ্যে আস্থার সঙ্কট তৈরি হওয়ায় কাটছে না পেঁয়াজ নিয়ে অস্থিরতা। 

ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ। 

এখানকার ব্যবসায়ীরা সংকট সমাধানে সরবরাহ বাড়াতে সরকারের উদ্যোগে পেঁয়াজ আমদানির দাবি জানান। 

তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে।  এ অবস্থায় সঙ্কট সমাধানে ব্যবসায়ীদের প্রণোদনা দেয়ার আহ্বান জানান ক্যাব নেতা। 

কোনোভাবেই কাটছে না পেঁয়াজের বাজার নিয়ে অস্থিরতা।  কয়েকদিনের ব্যবধানে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে পাইকারিতে ৮ থেকে ১০ টাকা বেড়ে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৯৮ থেকে ১০০ আর ভারতেরটা ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রফতানি বন্ধের দীর্ঘ একমাস পরও সংকট সমাধানে তেমন উদ্যোগ নেই সরকারের।  বিপরীতে অভিযানের নামে হয়রানি করছেন ব্যবসায়ীদের।  জরিমানার ভয়ে আড়তে পেঁয়াজ তুলছেন না অনেকেই। 

জারিফ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনালের মঞ্জুর মোরশেদ ও সামাদ ট্রেডিংয়ের আমদানিকারক নুরুছ সামাদের দাবি, বার বার অস্থিরতা সৃষ্টির পরও পেঁয়াজ নিয়ে সরকারের নেই কোনো নির্দিষ্ট আমদানি নীতি।  নতুন কোনো দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে আশ্বাস নেই সরকারের।  তাই ক্ষতির আশঙ্কায় আস্থাও নেই তাদের। 

সঙ্কট সমাধানে ব্যবসায়ীদের প্রণোদনার পাশাপাশি আস্থা তৈরির কথা জানান চট্টগ্রাম ক্যাবের সভাপতি এস এম নাজের হোসেন। 

খাতুনগঞ্জ হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট আড়তদার সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস জানান, সরকারি উদ্যোগে পেঁয়াজ আমদানির দাবি ব্যবসায়ীদের। 

এদিকে একসপ্তাহের মধ্যে পেঁয়াজ রফতানির ওপর ভারত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।  পেঁয়াজ উৎপাদনে আত্মনির্ভরশীল হলেই এ সমস্যার সমাধান সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।  গতকাল বিকেলে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী। 

গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত রফতানি বন্ধের পর তৈরি হয় পেঁয়াজ নিয়ে অস্থিরতা আর সঙ্কট।