৯:১৭ এএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার | | ৪ রজব ১৪৪১




মাদ্রাসার হুজুর কর্তিক ধর্ষিতা মেয়েটি হাসপাতালে, থানায় মামলা

২০ জানুয়ারী ২০২০, ০৬:৪১ পিএম | নকিব


জাহাঙ্গীর আলম, নেত্রকোণা প্রতিনিধি : নেত্রকোণার কেন্দুয়ার রোয়াইলবাড়ী বাজারে প্রতিষ্ঠিত আশরাফুল উলুম জান্নাতুল মা’ওয়া মহিলা মাদ্রাসার এক ছাত্রী (১২) উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক দ্বারা ধর্ষনের শিকার হয়ে ৩/৪ মাসের অন্ত:সত্বা হওয়ার অভিযোগে পাওয়া গেছে। 

এ ঘটনায় রোববার (১৯ জানুয়ারী) কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন শিশুটির পিতা। 

সোমবার সরেজমিনে গেলে জানা যায়, রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের চরআমতলা কোনাবাড়ী গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে আব্দুল হালিম একটি অর্ধ-আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। 

এই মাদ্রাসায় পড়তো একই এলাকার ওই মেয়ে শিশুটি ।  মেয়ের বাড়ীতে গেলে ভিকটিমের চাচা আতাউর রহমান, নুরুল হুদা, চাচী রহিমা আক্তার ও পলি আক্তারসহ বাড়ীর লোকজন জানান, মাতৃহারা এই শিশু মেয়েটি (১২) ওই মাদ্রাসাটিতে পড়তো।  গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) রাতে হঠাৎ মেয়েটির পেটে ব্যাথা হয়। 

এক পর্যায়ে রক্তক্ষরন হলে অন্ত:সত্বা বিষয়টি নজরে আসে।  মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে সে জানায় কয়েক মাস পূর্বে মাদ্রাসার হুজুর আব্দুল হালিম সাগর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে, ফলে সে অন্ত:সত্বা হয়ে পড়ে।  অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারণে মারাত্মক অসুস্থ¯’ হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বর্তমানে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  রয়েছে।  আমরা ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।  যেন এলাকায় এমন ঘটনা আর কেউ ঘটাতে না পারে। 

কেন্দুয়া থানার ওসি রাশেদুজ্জামান জানান, ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ঐ মাদ্রাসার পরিচালক আব্দুল হালিম সাগরকে আসামী করে রোববার রাতে কেন্দুয়া থানায় নারী শিশু আইনে মামলা করেছে।  পুলিশ তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।  মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, আসামীর বাড়ী ঘরে তালা দিয়ে পালিয়েছে।  তাকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।