১:৪৫ পিএম, ৪ আগস্ট ২০২০, মঙ্গলবার | | ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১




ভুটান ভ্রমণে বাংলাদেশিদের প্রতিদিন গুনতে হবে ১৪০০ টাকা

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৩:৫৪ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম: ভুটান ভ্রমণে বাংলাদেশ, ভারত এবং মালদ্বীপের পর্যটকদের কাঁদে বড় অঙ্কের ফি রেখে যে খসড়া অনুমোদন পেয়েছিল, তা ঠিক সেভাবে পাস হয়নি দেশটির নিম্নকক্ষে। 

সেসময় এসব দেশেরও প্রতিদিন ৬৫ ডলার দিতে হবে বললেও এবার আইন পাস হয়েছে ১৭ ডলারের মতো ফি রেখে।  যদিও এতদিন ফ্রি-তেই ভ্রমণ সুবিধা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের জন্য। 

সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ভুটানের নিম্নকক্ষ নতুন এই আইন পাস করে।  যাতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুলাই থেকে বাংলাদেশ, ভারত এবং মালদ্বীপের পর্যটকদের ভুটান ভ্রমণে প্রতিদিন এক হাজার ২০০ রুপি (এক হাজার ৪০০ টাকা প্রায়) ফি গুনতে হবে।  মূলত দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ভুটান সরকার। 

এছাড়া এই হিমালয় রাজ্যের পরিবেশ সচেতনতা এবং এক রকম সীমাহীন পর্যটক বৃদ্দিতে, বিশেষ করে ভারতের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হয়েই ভুটান সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। 

কেননা, পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালে মোট দুই লাখ ৭৪ হাজার পর্যটক ভুটান ভ্রমণ করেছেন।  আর এর মধ্যে দুই লাখই এ উপমহাদেশের।  যার মধ্যে আবার প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার ছিল সীমান্তঘেঁষা দেশ ভারতের।  একইসঙ্গে ২০১৮ সালে ভুটান সফরকারী এই তিনটি দেশের পর্যটক সংখ্যা ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

২০১৮ সালে দেশটিতে ভারতীয় ও বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল এক লাখ ৮০ হাজার ও ১০ হাজার ৪৫০ জন।  যেখানে একই বছরে গোটা বিশ্ব থেকে দেশটিতে ভ্রমণ করে ৭০ হাজার পর্যটক। 

এই অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ দেশটির পরিবেশ ও বাস্তুসংস্থানের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা দেশটির সরকারের।  এর জের ধরেই ২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রতিদিন ফি সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়। 

জানা যায়, ভুটান ভ্রমণের জন্য অন্য দেশের পর্যটকদের প্রতিদিন ২৫০ মার্কিন ডলার (২১ হাজার ২৫০ টাকা প্রায়) পরিশোধ করতে হয়।  এর মধ্যে ৬৫ ডলার টেকসই উন্নয়ন ফি ও ৪০ ডলার ভিসা ফি অন্তর্ভুক্ত।  তবে বাংলাদেশ, ভারত ও মালদ্বীপের নাগরিকদের এতদিন এর কোনোটাই দিতে হতো না।