৯:২৬ পিএম, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার | | ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪১




পাঁচবিবিতে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃক অস্বাভাবিক বিলের অভিযোগ

১২ মার্চ ২০২০, ১২:৫০ পিএম | নকিব


মোঃ বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি, (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:  জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যূৎ সমিতির পাঁচবিবি জোনাল অফিসের আওতাধীন গ্রহকের বিদ্যূৎ বিলে অস্বাভাবিক বিলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

ভূক্তভোগী উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের পশ্চিম উচনা গ্রামের -কাবেজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ ছানোয়ার হোসেন জানান, তার “অগভীর নলক‚পের (হিসাব নং-০৫/২৮০/১২৯১”)  মিটারে ফেব্রুয়ারী/২০ বিলে  ৩১/০১/২০২০ পূর্ববর্তী মিটার রিডিং-১০৪৩৫ এবং ২৯/০২/২০২০ইং বর্তমান মিটার রিডিং-১০৪৩৯ ইউনিট।  যেখানে ব্যবহার ইউনিট ০৪ (চার) হয়েছে। 

অথচ বিলে ভ‚ল করে তুলে দিয়েছে ১২শত (বারশত) ইউনিট এবং দেখানো হয়েছে “গড় বিল”।  অস্বাভাবিক বিদ্যূৎ বিল সংশোধনের জন্য পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি পাঁঁচবিবি জোনাল অফিসে দরখাস্তÍ নিয়ে গেলে তা গ্রহণ না করে  উক্ত বিল পরিশোধ করতে বলেন। 

তিনি আরো বলেন, তেল চালিত মেশিন দিয়ে চাষ করার কারণে এই মৌসুমে খুব কম জমিতে বোরো-ইরি চাষ হয়েছে।  শুধু আমার নিজের জমিতে বোরো-ইরি লাগিয়েছি।  তা হলে আমার সেচ ব্যবহার না হলে আমি কোথা থেকে বিল দিব। 

অপর দিকে ধরঞ্জী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ফেব্রুয়ারী/২০ বিলে বর্তমান মিটার রিডিং দেখানো হয়েছে- ৫২২৮০ ইউনিট এবং পূববর্তী মিটার রিডিং দেখানো হয়েছে ৫১৮৮০ ইউনিট।  যেখানে বিদ্যূৎ ব্যবহার হয়েছে ৪শত ইউনিট।  অথচ ১৯শে ফেব্রুয়ারী /২০ তারিখে ৫১৭১৮ ইউনিট চলমান রয়েছে। 

মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান বলেন, পল্লী বিদ্যূতের দেওয়া বিলের রিডিং অনুযায়ী পূর্ববর্তী মাসের অর্থাৎ জানুয়ারী/২০  মিটার রিডিং ৫১৮৮০ ইউনিট।  কিন্তুু  ফেব্রুয়ারী মাসের ১৯ তারিখে মিটারে দেখা যায়, ৫১৭১৮ ইউনিট।  সে অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার না করেই জানুয়ারী মাসে ১৬২ ইউনিটের বিল বেশি প্রদান করেছেন।  অথচ ফেব্রুয়ারী মাসে আবার ৪শ ইউনিটের বিল এসেছে।  এটা কিভাবে সম্ভব। 
এবিষয়ে পল্লী বিদ্যূৎ সমিতি পাঁচবিবি  জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শ্রীমতি সীমা রানী কুন্ডু বলেন , ফেব্রুয়ারী মাসের বিল পরিশোধ করিতে হইবে।  পরিশোধের পর পাঁচবিবি জোনাল অফিস কর্তৃক স্বরজমিনে তদন্ত করিয়া বিল সমন্ময় করা হবে। 

ভ’ক্তভোগী গ্রাহকরা জানা, জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিস পাঁচবিবি কর্তৃক ভাড়াকৃত দালাল জনৈক শাহাদত হোসেনসসহ আরো অজ্ঞাত লোকেদের কারণে পাঁচবিবি অফিসে দুর্নীতির চলমান রয়েছে।  বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেছেন ভুক্তভোগীরা।