২:৪২ পিএম, ২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার | | ৩ শা'বান ১৪৪১




বাঘাইছড়িতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ট্রাজেডির ১বছর! বিচার চেয়ে মানববন্ধন স্বজনদের

১৯ মার্চ ২০২০, ১০:০৫ এএম | নকিব


জগৎ দাশ -বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :- পঞ্চম   উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আজ বুধবার ১৮ মার্চ ২০২০ ১বছর পূর্ণ হলো। 

গত ১৮ মার্চ ২০১৯ ইং বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাচনের  দায়িত্ব পালন শেষে সাজেকের তিনটি ভোট কেন্দ্র বাঘাইহাট সরঃপ্রাঃবিদ্যালয়, কংলাক সরঃপ্রাঃবিদ্যালয়,রুইলুই সরঃপ্রাঃবিদ্যালয় ভোট বক্স নিয়ে দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ উপজেলা সদরে ফেরার পথে মারিশ্যা -দীঘিনালা সড়কে উপজেলার ৯ কিলো নামক স্থানে গাড়ী বহরে এলোপাতাড়ি ব্রাশ ফায়ার করে স্থানীয় পাহাড়ি সংগঠনের  দূর্বিত্তরা। 

এতে ঘটনাস্থলে ৭ জন উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিতে নিয়ে যাওয়ার পথে ১জন সহ ওই ঘটনায় ৮ জন  নিহত ও ৩৩ জন আহত হয়। ঘটনায় নিহত ও আহতদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার চেয়ারম্যান  নুরুল হুদা তৎকালীন সময় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকল পরিবারের সাথে সমবেদনা সহ নিহত পরিবার দের ৫লক্ষ টাকা আহতদের চিকিৎসার জন্য ১ লক্ষ টাকা শুধুমাত্র  ফুলকুমারি চাকমা  সহঃ শিক্ষিকা অতিরিক্ত মাত্রায় আহত হওয়ায় তাকে ৬ লক্ষ টাকা  প্রদান করেন। 

অপরদিকে নিহত ৮  জনের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করে নির্বাচন কমিশন।  তদমধ্যে আনসার ভিডিপির  নিহত ৪ সদস্যরা  ২১ লক্ষ টাকা করে পান। আহতদের পরবর্তী চিকিৎসা দায়ভার নিয়েছিলেন উপজেলা প্রশাসন। 

এ ঘটনায়   পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করলে ও আসামিরা এখনো ধরা পড়েনি। এদিকে ঘটনার ১ বছর পূর্তি হওয়ায় বুধবার সকাল ১০টায়  ১৮ মার্চ ২০২০ এক বছর পূর্তি উপলক্ষে ঘটনার বিচার চেয়ে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যরা উপজেলা পরিষদের সামনে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন শেষে স্বজনরা প্রধানমন্ত্রী বরাবরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এক স্বারক লিপি প্রদান করেন। 

এব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ১৪ জনকে আটক করলেও পাহাড়ের ভৌগোলিক কিছু সমস্যার কারণে মূল আসামিদের এখনো ধরতে পারিনি। 

এ ঘটনায় উপজেলা পরিষদ ভাইচ চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুম সহ নিহতদের স্বজনরা বক্তব্য রাখেন। অপরদিকে ঘটনায়  পঙ্গুত্ব বরনকারী  শয্যাশায়ী সহকারী শিক্ষিকা ফুলকুমারী চাকমার নিজ বাড়ি গিয়ে খোজঁ খবর নেন বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান হাবিব জিতু। 

পঙ্গুত্ব বরনকারী শিক্ষিকা বলেন,বিদেশ গিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারলে সে স্বাভাবিক জিবন গড়তে পারবেন। তার জন্য কমপক্ষে ২০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন রয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে যানালে, আহসান হাবিব তার চিকিৎসার নেওয়ার দায়িত্ব নেন।