৮:০৩ এএম, ১১ জুলাই ২০২০, শনিবার | | ২০ জ্বিলকদ ১৪৪১




দুই মাস বন্ধ রাখার পর চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কসহ ১৩ রুটে বাস চালু উদ্বোধন

০১ জুন ২০২০, ০৩:২৯ পিএম | নকিব


প্রদীপ শীল, রাউজানঃ করোনাভাইরাসের বিস্তার এড়াতে দুই মাস বন্ধ রাখার পর চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির আওতায়ভুক্ত ১৩টি সড়কে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। 

সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সোমবার (০১ জুন) সকালে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন রাউজান পৌরসভার প্যানেল মেয়র উপজেলা যুবলীগেরর সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ। 

সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৩টি সড়কে বাস চলাচল শুরু হয়েছে বলে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ হোসেন কোম্পানী জানান। 

তিনি বলেন, রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশনায় প্রতিটি বাসে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং চালক ও তার সহকারীদের মাস্ক হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।  চট্টগ্রাম-মোটর মালিক সমিতির আওতাভুক্ত ১৩টি সড়কে বাস চলাচল শুরু উপলক্ষে চালক ও যাত্রীদের সচেতনতার জন্য সংক্ষিপ্ত পথসভা করা হয়। 

পথ সভায় রাউজান পৌরসভার প্যানেল মেয়র উপজেলা যুবলীগেরর সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ বলেন, করোনাভাইরাসকে বিদায় দিতে হলে সচেতন হওয়া জরুরী।  নিজে বাঁচতে হবে, অন্যদের বাচাঁতে হবে।  সরকার সল্প পরিসরে গণপরিবহন চালু করেছে কর্মজীবন সচল করতে।  তবে নিজেকে নিরাপদ রেখে সবকিছু করতে হবে। 

চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মোটর মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ হোসেন কোম্পানীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন রাউজান হাইওয়ে থানার ওসি ছালেহ আহমেদ, রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার আমজাদ আলী চৌধুরী, মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহমান, মনিরুল ইসলাম চৌধুরী, কাজী মো. জামাল, মো. হারুন, মো. হাসান কোম্পানী, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ইউনুস মিয়া, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুল আলম, পৌরসভা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক রোকন, কানু নাথ, ফজলুল হক ফজু প্রমূখ। 

জলিল নগর বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, বাসগুলোতে ধারণক্ষমতার অর্ধেকরও কম যাত্রী তুলছে চালকরা।  যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা মেপে ও হাতে জীবানুনাশক ছিটিয়ে বাসে ওঠানো হচ্ছে; যাত্রীরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, মুখে মাস্ক লাগিয়ে সিটে বসছেন। 

যাত্রীদের পাশাপাশি বাস চালক ও তাদের সহকারীদের মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করতে দেখা গেছে।  সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০ শতাংশ ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে।