৯:৩২ এএম, ৮ আগস্ট ২০২০, শনিবার | | ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১




গণপরিবহনে জীবাণুনাশকের বদলে সাবান-পানির স্প্রে

০৭ জুন ২০২০, ১২:৫০ পিএম | নকিব


এসএনএন২৪.কমঃ  ইদানিং গণপরিবহনে ওঠার সময় যাত্রীদের হাতে দেয়া হচ্ছে জীবাণুনাশক। 

নিশ্চিত মনে তা হাতে মেখে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন সবাই।  আসলেই কি সেগুলো কার্যকর? না কি সময়ের সাথে তাল মেলানোর উপাদান? ফুটপাত থেকে কিনে, মালিকপক্ষ থেকে সরবরাহ করা কিংবা নিজেরাই পানি সাবানে বানিয়ে যাত্রীদের হাতে স্প্রে করছেন পরিবহন শ্রমিকরা। 

তবে সুরক্ষা নিশ্চিতে অজানা দ্রবণ নয়, ব্যক্তিগত সুরক্ষার ওপরই জোর দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। 

করোনা মোকাবেলায় মার্চের ২৫ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ রেখেছিলো সরকার।  দুই ধাপে ৩১ মে ও ১লা জুন থেকে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশসহ খুলে দেয়া হয় সবকিছু।  তারপর থেকে দেখা মিলছে এমন দৃশ্যের। 

রাজধানীর প্রতিটি বাসস্টপ, লেগুনা স্ট্যান্ডে শ্রমিকদের হাতে হাতে এখন স্যানিটাইজারের বোতল।  যাত্রী ওঠার সময় নিজ তাগিদেই হাতে স্প্রে করে দিচ্ছেন তারা।  জানতে চেয়েছিলাম, কি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এসব দ্রবণ? জীবানুনাশ কি হয় আসলে?

গণপরিবহন শ্রমিকদের কথার কিছুটা মিল পাওয়া যায় ফুটপাতে ঘুরে।  ঢাকার অনেক এলাকায়ই রাস্তার ওপর বিক্রি হচ্ছে রং-বেরংয়ের নানা জীবানুনাশক।  সুযোগ বুঝে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা পসরা খুলেছেন বিভিন্ন আইটেমের। 

ঢাকার গণপরিবহনে যে মিশ্রণ দেওয়া হচ্ছে তার বেশিরভাগই রাস্তার পাশ থেকে কেনা।  যারা নিচ্ছেন তারা জানেন না এগুলোর উপাদান কি, যিনি বিক্রি করছেন তিনিও বলতে পারবেন না কি উপাদান দিয়ে এগুলো তৈরি। 

গণপরিবহন যাদের ব্যবহার করতেই হচ্ছে, তাদেরও খুব একটা মাথাব্যথা নেই বিনামূল্যে পাওয়া জীবানুনাশক নিয়ে।  কেউ সাথে রাখছেন ব্যক্তিগত সুরক্ষার দ্রব্য, আবার কারো ভরসা গাড়িতে ওঠার সময় দেয়া পানির ফোটা। 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সাবধানতা, উপাদান নিশ্চিত না হয়ে রাস্তায় চলাচলের সময় জীবানুনাশক ব্যবহার হতে পারে ক্ষতিকর।